...
...
Next Story

Chinese Ships in Bangladesh Port: বাংলাদেশে এল চিনা নৌসেনার ৩ জাহাজ! ভারতের বেশি দূরেও নয়, পাকের সঙ্গে মহড়া ১টির

Chinese Ships in Bangladesh Port: বাংলাদেশে পৌঁছাল চিনা নৌসেনার তিনটি জাহাজ। সেগুলির মধ্যে দুটি আবার রণতরী। আর সেখানে এসেছে. সেই জায়গাটা ভারতের বেশি দূরেও নয়। একটি আবার কয়েক মাস আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে সেরেছে সামরিক মহড়া।

Published on: Sep 19, 2026, 19:20:50 IST
Advertisement

Chinese Ships in Bangladesh Port: বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাল চিনা নৌসেনার দুটি রণতরী-সহ তিনটি জাহাজ। তার মধ্যে একটি জাহাজ আবার মাসকয়েক আগেই পাকিস্তানের সঙ্গে ‘সি গার্ডিয়ান’ সামরিক মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। যদিও বাংলাদেশি নৌসেনার তরফে দাবি করা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরে তিন চিনা জাহাজ আসার সঙ্গে সামরিক মহড়া বা অন্য কোনও বিষয়ের যোগ নেই। নেহাতই সৌজন্যমূলক সফরে ওই তিনটি চিনা জাহাজ পাঁচদিনের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে। আগামী সোমবার তিনটি জাহাজই বাংলাদেশি জলসীমা ছেড়ে বেরিয়ে যাবে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে চিনা জাহাজাগুলি, সেখান থেকে ভারতের গুরুত্ব বেশি নয়। ফলে পুরো বিষয়টির উপরে ভারতের নজর থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশি নৌসেনার বিবৃতিতে কী বলা হয়েছে?

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এল তিনটি চিনা জাহাজ। (ছবি সৌজন্যে Bangladesh Navy)
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে এল তিনটি চিনা জাহাজ। (ছবি সৌজন্যে Bangladesh Navy)

একটি বিবৃতিতে বাংলাদেশের নৌসেনার তরফে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশে শুভেচ্ছা সফরে চিনা নৌসেনার জাহাজ। ১৭ সেপ্টেম্বর পাঁচ দিনের শুভেচ্ছা সফরে চিনা নৌসেনার জাহাজ থাং শান, দা ছিং ও থাই হু চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ নৌসেনার পক্ষ থেকে সফরকারী জাহাজসমূহের অফিসার ও নাবিকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। এ শুভেচ্ছা সফর দুই দেশের নৌসেনার মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, পেশাগত সম্পর্ক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে।’

আরও পড়ুন: IMD Forecast on Cyclone Chances: ঘূর্ণিঝড় সত্যিই আসছে? এখনও বলল না মৌসম ভবন, কমলা সতর্কতা জারি বাংলার এইসব জেলায়

ডেস্ট্রয়ার থেকে গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট - চিনা নৌসেনার জোড়া রণতরী

এমনিতে থাং শান হল ০৫২ডিএল টাইপের ডেস্ট্রয়ার। চিনা নৌসেনার (পিপলস লিবারেশন আর্মি - নেভি) ৪৮ তম এসকর্ট টাস্ক গ্রুপের ডেস্ট্রয়ার সম্প্রতি এডেন উপসাগরে ‘জলদস্যু-বিরোধী’ অভিযানে সামিল ছিল। আবার দা ছিং হল চিনা নৌসেনার টাইপ ০৫৪এ ধরনের গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট। যা ২০১৫ সালে যুক্ত হয়েছিল চিনা নৌসেনায়। চলতি বছরের গোড়ার দিকে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল ‘সি গার্ডিয়ান’ সামরিক মহড়ায়।

সেই দুটি রণতরীর সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা থাই হু হল অবশ্য যুদ্ধজাহাজ নয়। বরং যুদ্ধজাহাজের বিভিন্ন সামগ্রী জোগান দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন রণতরী বা জাহাজকে তেল, জল, খাবার এবং অস্ত্র প্রদান করে থাকে। বিভিন্ন মিশনে যাওয়া যুদ্ধজাহাজকে জোগান প্রদান করে চিনা নৌসেনার থাই হু।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks