Hockey Championship Kolkata: রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে হার কলকাতার, টুর্নামেন্ট-সেরা থাকল শহরেই! রইল পুরস্কার তালিকা
৪৭ তম অল ইন্ডিয়া মেজর পোর্টস হকি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতল তুতিকোরিন। ফাইনালে হেরে গেল কলকাতা বন্দর (শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর)। মুম্বই পোর্ট অথরিটি ৫-৩ গোলে চেন্নাই পোর্টকে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ পদক বা তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে।
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা আর মাঠজুড়ে গতির লড়াই - সবমিলিয়ে কলকাতায় শেষ হল ৪৭ তম অল ইন্ডিয়া মেজর পোর্টস হকি চ্যাম্পিয়নশিপ। কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই মেগা টুর্নামেন্টের ফাইনালে আয়োজক দলকে স্তব্ধ করে দিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে নিল ভিওসি তুতিকোরিন। টানটান উত্তেজনার ফাইনালে ৪-৩ গোলে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হল।

ফাইনাল ম্যাচের রোমাঞ্চ
খেলার শুরু থেকেই দু'দলের মধ্যে সমানে সমান লড়াই চলছিল। আয়োজক হিসেবে কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও তুতিকোরিনের কৌশলী আক্রমণ তাদের রক্ষণভাগকে বারবার ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। প্রথমার্ধেই দুই দল আক্রমণাত্মক মেজাজে গোল করতে শুরু করে। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের চিৎকারে মাঠ যখন মুখরিত, তখন তুতিকোরিনের খেলোয়াড়রা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্নায়ুচাপ ধরে রাখতে সক্ষম হন। শেষপর্যন্ত ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে তুতিকোরিন।
আরও পড়ুন: Cricket Unique Record: ৪২ ছক্কায় ১৩৭ বলে অপরাজিত ৪০২ রান- বাবার সঙ্গে ৫৯০ রানের জুটি গড়লেন ছেলে!
তৃতীয় স্থানের লড়াই
চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও গোলের বন্যা দেখা গিয়েছে। সেখানে মুম্বই পোর্ট অথরিটি ৫-৩ গোলে চেন্নাই পোর্টকে পরাজিত করে ব্রোঞ্জ পদক বা তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে।
ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও পুরস্কার
১) সর্বোচ্চ গোলদাতা: এস. কৃষ্ণ (ভিওসি তুতিকোরিন)।
২) সেরা খেলোয়াড়: রণিত এক্কা (কলকাতা বন্দর)।
৩) সেরা গোলরক্ষক: এস. মানব (ভিওসি তুতিকোরিন)।
উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ
সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ভারতীয় হকির কিংবদন্তি গুরবক্স সিং। তাঁর উপস্থিতি তরুণ খেলোয়াড়দের দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করে। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দরের (কলকাতা বন্দর) চেয়ারম্যান রথেন্দ্র রমন এবং ডেপুটি চেয়ারম্যান সম্রাট রাহি।
খেলোয়াড়দের জন্য চাকরির সুখবর
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে দাঁড়িয়ে কলকাতা বন্দরের চেয়ারম্যান ক্রীড়াবিদদের জন্য এক বড় ঘোষণা করেন। তিনি জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ এখন থেকে স্পোর্টস কোটায় নিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেবে। বিশেষ করে হকি, সাঁতার, বাস্কেটবল, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড এবং ভলিবলের মতো খেলাগুলোতে যোগ্য খেলোয়াড়দের মেধার ভিত্তিতে চাকরির সুযোগ দেওয়া হবে। এই ঘোষণাটি তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


