Modi on abusive remarks during protest: ‘আমার স্বর্গীয় মা'কেও গালাগালি দিয়েছে’, তাও ‘দুষ্টু বাচ্চাদের’ ক্ষমা করলেন মোদী
Modi on abusive remarks during protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় গালিগালাজ করা বাচ্চাদের ক্ষমা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ভুলবশত জিভে কামড় লাগলে মানুষ যেমন নিজের দাঁত ভেঙে ফেলে না, তেমনই কোনও ভুলের কারণে ছোটোদের পরিত্যাগ করা উচিত নয়।
Modi on abusive remarks during protest: যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে গালাগালি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী। শুক্রবার রাত ১১ টা ৬ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিয়োয় মোদী দাবি করেন, তাঁকে তো গালিগালাজ করা হয়েছে। ছাড়া হয়নি তাঁর প্রয়াত মা'কেও। তারপরও ওই ‘দুষ্টু বাচ্চাদের’ ক্ষমা করে দিচ্ছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আর সেই সিদ্ধান্তের কারণ কী, তাও ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, ছোটোবেলায় ভুল হয়ে যায়। তাঁরা দিকভ্রান্ত হয়ে পড়েছেন। আর দিকভ্রান্ত বাচ্চাদের শাস্তি না দিয়ে বুকে জড়িয়ে নেওয়ার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

‘কিছু দুষ্টু বাচ্চা নোংরা-নোংরা গালিগালাজ করেছে’
তাঁর কথায়, 'যন্তর মন্তরে যা কিছু হয়েছে, তা দেশ ও দুনিয়া দেখেছে। কিছু দুষ্টু বাচ্চা নোংরা-নোংরা গালিগালাজ করেছে। কোনও সভ্য সমাজে শোভা পায় না, এমন শব্দ প্রয়োগ করেছে। আমায় তো গালাগালি দেওয়া হয়েছে, আমার স্বর্গীয় মা'কেও গালিগালাজ করা হয়েছে। বিষয়টি যে কতটা কদাকার ছিল, তার কোনও ইয়ত্তা নেই। তবে আজ আমি এটুকু বলতে চাই যে, যৌবনে ভুল-ত্রুটি হয়েই থাকে এবং সেই ভুল থেকে নিজেকে শুধরে নেওয়ার সুযোগও থাকে - আর এই বিষয়টিই হল এক ধরনের ছেলেমানুষি।'
'ওদের সঠিক পথ দেখাতে হবে, আইনির চক্কর কাটিয়ে কিছু হবে না'
মোদী দাবি করেছেন, তাঁকে যেভাবে গালিগালাজ করা হয়েছে বা তাঁর প্রতি যে ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষত তরুণীর ব্যবহৃত শব্দ নিয়ে সমাজে ক্ষোভের বাতাবরণ তৈরি হলেও তরুণ প্রজন্মকে আইনি লড়াইয়ের দিকে ঠেলে দেওয়ার পরিবর্তে সঠিক পথ দেখানোই মনোযোগ দেওয়া উচিত। তাঁর কথায়, ‘এরা বিপথগামী বাচ্চা, আর তাদের সঠিক পথ দেখানো আমাদেরই দায়িত্ব; তাদের শাস্তি দিয়ে, আদালতের চক্কর কাটাতে বাধ্য করে কিংবা সমাজে হেনস্থা করে আমরা পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন ঘটাতে পারব না।’
‘ভুলবশত জিভে কামড় লাগলে মানুষ যেমন নিজের দাঁত ভেঙে ফেলে না…’
সেইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তিনি পড়ুয়াদের ক্ষমা করে দিতে চান। সমাজকেও একই কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। একটি উপমা দিয়ে তিনি বলেন, ভুলবশত জিভে কামড় লাগলে মানুষ যেমন নিজের দাঁত ভেঙে ফেলে না, তেমনই কোনও ভুলের কারণে সমাজেরও উচিত নয় নিজেদের ছেলেমেয়েদের পরিত্যাগ করা।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


