Sign in

Bengali Girl wins Commonwealth Gold: বাবা সাইকেল সারাই করতেন, সেই বাঙালি মেয়ে কমনওয়েলথ গেমসে জিতলেন ঐতিহাসিক সোনা

Bengali Girl wins Commonwealth Gold: বাবা সাইকেল সারাইয়ের কাজ করেন। সেই বাঙালি মেয়ে অস্মিতা দে কমনওয়েলথ গেমসে জিতলেন ঐতিহাসিক সোনা। কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে জুডো থেকে প্রথম পদক জিতলেন কোনও ভারতীয় জুডোকা।

Published on: Jul 31, 2026, 21:28:13 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bengali Girl wins Commonwealth Gold: ইতিহাস গড়লেন বাঙালি মেয়ে অস্মিতা দে। প্রথম ভারতীয় (মহিলা ও পুরুষ মিলিয়ে) হিসেবে কমনওয়েলথ গেমসে জুডোয় সোনা জিতলেন ত্রিপুরার মেয়ে। শুক্রবার গ্লাসগোয় মহিলাদের ৪৮ কেজি বিভাগের ফাইনালে কানাডার হেইডি কোয়াচকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে সেই ঐতিহাসিক সোনা জিতে নেন ২৩ বছরের অ্যাথলিট। আর সেই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের সোনার পদকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল চার। ভারোত্তলনে মীরাবাই চানু, পুরুষদের ১০০ মিটারে (টি৪৭) দিলীপ গাভিত এবং মহিলাদের শটপাটে (এফ৫৭) শর্মিলার পরে ভারতের চতুর্থ সোনা আনলেন অস্মিতা।

কমনওয়েলথ গেমসে ঐতিহাসিক সোনা জিতলেন অস্মিতা দে। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
কমনওয়েলথ গেমসে ঐতিহাসিক সোনা জিতলেন অস্মিতা দে। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

অ্যাথলেটিক্স থেকে জুডো- সেখান থেকে ঐতিহাসিক সোনা

১) অস্মিতা আদতে দক্ষিণ ত্রিপুরার বেলোনিয়ার মেয়ে। ২০০৩ সালের ২২ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। ভোপালে সাইয়ের আঞ্চলিক সেন্টারে করেন অনুশীলন।

২) অস্মিতার পারিবারিক অবস্থা আহামরি ছিল না। তাঁর বাবা সাইকেল সারাইয়ের কাজ করতেন। কিন্তু সেই আর্থিক প্রতিকূলতা জয় করে জুডো খেলা চালিয়ে গিয়েছেন অস্মিতা।

৩) প্রাথমিকভাবে অ্যাথলেটিক্সের প্রতি ঝোঁক ছিল অস্মিতার। ৮০০ মিটার দৌড়ে অংশ নিতেন। পরবর্তীতে কোচের হাত ধরে জুডোর সঙ্গে পরিচিতি ঘটে। আর সেখান থেকেই মোড় ঘুরে যায় অস্মিতার জীবনের।

আরও পড়ুন: Kolkata Girl becomes Global Topper: 'বিশ্বসেরা' হলেন কলকাতার ছাত্রী, সুযোগ লন্ডনের কলেজে, ‘টপার’ হয়েছেন আরও ২ পড়ুয়া

৪) ২০১৫ সালে ত্রিপুরা স্পোর্টস স্কুলে যোগ দিয়েছিলেন অস্মিতা। ‘ন্যাশনাল স্কুল গেমস’ ও ‘খেলো ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে ২০১৮ সালে তিনি ভোপালের সাই আঞ্চলিক কেন্দ্রে (এনসিওই বা NCOE) সুযোগ পান। তখন থেকেই সেখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

৫) ইতিমধ্যে একাধিকবার আন্তর্জাতিক স্তরে ভারতের নাম গৌরবান্বিত করেছেন অস্মিতা। এশিয়ান ওপেন, জুনিয়র এশিয়া কাপ জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ এবং কমনওয়েলথ জুডো চ্যাম্পিয়নশিপে পদক জিতেছেন। ৪৮ কেজি বিভাগে ভারতের অন্যতম প্রথমসারির জুডোকা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

৬) আর সেই রেশ ধরে এবার কমনওয়েলথ গেমসে জিতলেন সোনা।

আরও পড়ুন: Sankrail Industrial Project: আমূল, স্কুটারের পরে সাঁকরাইলে আসছে ১২০০ কোটি টাকার লগ্নি, বাংলা তৈরি করবে ওয়াগনও

২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদকের সংখ্যা

আপাতত ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসের পদক তালিকায় নয় নম্বরে আছে ভারত। জিতেছে চারটি সোনা, ১০টি রুপো এবং চারটি ব্রোঞ্জ। তবে সেই সংখ্যাটা শীঘ্রই বাড়তে পারে। পুরুষদের জুডোর ৬০ কেজি বিভাগে সোনা জয়ের মুখে দাঁড়িয়ে আছেন হর্ষ সিং। তিনি সোনা জিতলে ভারত আট নম্বরে উঠে আসবে পদক তালিকায়।

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More