...
...
Next Story

AI Manager fires Human Employee: মানুষকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করল AI ম্যানেজার! বিশ্বে ‘প্রথম’, কারণ জানলে চমক যাবে

AI Manager fires Human Employee: মানুষকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করল AI ম্যানেজার। এমনিতেই কর্মক্ষেত্রে মানুষের জায়গায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের রাজত্ব কতটা বিস্তার করতে পারে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা জল্পনা-কল্পনা দীর্ঘদিনের।

Published on: Aug 16, 2026, 22:51:10 IST
Advertisement

AI Manager fires Human Employee: মানুষকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দিল আর্টিফিসিয়াল ইনটেলেজিন্স বা AI ম্যানেজার। বিশ্বে সম্ভবত প্রথমবার এরকম ঘটনা ঘটল বলে দাবি করা হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ফ্রান্সিসকোর রিটেল স্টোরে (খুচরো জিনিস বিক্রির দোকান) সেই ঘটনা ঘটেছে। কোনও এআই ম্যানেজার সরাসরি নির্দেশ দিয়ে নিজের অধীনে থাকা এক মানুষ কর্মচারীকে চাকরি থেকে ছাঁটাই করে দিয়েছে। কারণ ২৩টি শিফটের মধ্যে ১৭টিতেই দেরি করে নাকি এসেছিলেন ওই কর্মচারী।

AI ম্যানেজার ‘লুনা’ কী কী কাজ করত?

মানুষকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করল AI ম্যানেজার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
মানুষকেই চাকরি থেকে ছাঁটাই করল AI ম্যানেজার। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)

একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, অ্যান্ডন ল্যাবস পরিচালিত ‘অ্যান্ডন মার্কেট’ নামের এই স্টোর গত এপ্রিলে চালু করা হয়। এই স্টোর পরিচালনা ও তদারকির মূল দায়িত্বে বসানো হয়েছিল ‘লুনা’ নামের একটি এআই ম্যানেজারকে। অ্যানথ্রোপিকের শক্তিশালী ‘ক্লড’ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এআই সিস্টেমটিকে স্টোর পরিচালনার জন্য ১ লাখ ডলার বাজেট, ক্রেডিট কার্ড, ইন্টারনেটের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং নজরদারি ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়া হয়েছিল। পণ্যের বৈচিত্র্য বজায় রাখা, দাম নির্ধারণ, কর্মী নিয়োগ এমনকী কাজের শিডিউল তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোও নিচ্ছিল এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই।

আরও পড়ুন: Haldia Plant Latest Update: দেবীপক্ষেই ৬,০০০ কোটি টাকার মেগা প্ল্যান্ট পাচ্ছে মেদিনীপুর! ভারতে তৈরি হবে নজির

২৩টি শিফটের মধ্যেই ১৭টিতেই দেরিতে আসেন ওই কর্মী

আরও পড়ুন: Sheikh Hasina Extradition Latest Update: হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দেবে ভারত? সামনে বড় রিপোর্ট! তারেক কি আসছেন এবার

প্রথমে ‘ভুল’ করছিল AI ম্যানেজার, ‘শুধরে’ দেওয়া হয় পরে

অনুসন্ধানে উঠে আসে, এআই সিস্টেমের কাজ করার নিজস্ব মেমোরি বা 'ওয়ার্কিং মেমোরি' সীমায় সীমাবদ্ধতা থাকার কারণে নিজেই তৈরি করা কোম্পানির ‘এমপ্লয়ি হ্যান্ডবুক’ বা নীতিমালা ঠিকমতো পালন করতে পারেনি। অবশেষে অ্যানডন ল্যাবস লুনাকে মেমোরিতে সংরক্ষিত নিজস্ব তৈরি নীতিমালাগুলো খুঁজে দেখতে এবং সেই কর্মী কাজের জন্য উপযুক্ত কিনা, তা মূল্যায়ন করতে বলে। তারপরই ওই কর্মীকে বরখাস্ত করে দিয়েছে এআই ম্যানেজার।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe