Pakistan Ajit Doval Fear Factor: অজিত ডোভালের ভয়ে কাঁটা খোদ পাক প্রধানমন্ত্রীর পরমাণু উপদেষ্টাই! বললেন ‘এখানে…’
Pakistan Ajit Doval Fear Factor: ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের ভয়ে কাঁপছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পরমাণু উপদেষ্টাই। আর সেই রেশ ধরে একাধিক মিথ্যে কথাও বলেছেন ভারতের নামে।
Pakistan Ajit Doval Fear Factor: অজিত ডোভালের ভয়ে রাতের ঘুম উড়েছে পাকিস্তানেরই প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের পরমাণু উপদেষ্টার। সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সপ্তাহখানেক আগে লন্ডনের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্যাটেজিক স্টাডিজে ভাষণের সময় পাকিস্তানের ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মাজহার জামিল অভিযোগ করেন যে পাকিস্তানে অস্থিতিশীলতা তৈরির জন্য নাকি ডোভাল ‘ডকট্রিন’ ব্যবহার করা হচ্ছে।

‘ডোভাল ডকট্রিন’ আসলে কী?
এমনিতে ডোভাল ‘ডকট্রিন’ হিসেবে ভারত সরকারের তরফে জনসমক্ষে কিছু ঘোষণা করা হয়নি। তবে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে ডোভালের কর্মকালে সুরক্ষা ক্ষেত্রে নয়াদিল্লির যে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হয়েছে, সেটাকেই বেসরকারিভাবে ‘ডোভাল ডকট্রিন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
১৯৬৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার তথা প্রাক্তন ইনটেলিজেন্স ব্যুরোর (আইবি) প্রধানের সঙ্গে পাকিস্তানের 'সম্পর্ক' দীর্ঘদিনের। সাত বছর আন্ডার-কভার এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছিলেন ডোভাল। পাকিস্তানে গিয়ে কাজ করেছিলেন। তারপর দেশেও ফিরে এসেছিলেন। আবার অপারেশন ব্ল্যাক থান্ডারের সময় পাকিস্তানি এজেন্ট সেজে অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরে প্রবেশ করেছিলেন। আর সেই ‘ডোভাল ডকট্রিনের’ আতঙ্কে ভুগছেন পাকিস্তানের ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির উপদেষ্টা জামিল।
ক্ষমতা হারিয়েছেন জামিল, সবকিছুর মালিক মুনির
আর সেই ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির মাথায় আছেন খোদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত সেই কর্তৃপক্ষেরই পাকিস্তানের যাবতীয় পরমাণু অস্ত্রের উপরে নিয়ন্ত্রণ ছিল। তবে বর্তমানে সবকিছু চলে এসেছে সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের হাতে। মুনিরের হাতে যাতে পরমাণু অস্ত্রের চাবি তুলে দেওয়া যায়, সেজন্যই ন্যাশনাল স্ট্র্যাটেজিক কমান্ড তৈরি করা হয়। তার ফলে পাকিস্তানই বিশ্বের একমাত্র দেশে পরিণত হয়েছে, যেটির পরমাণু অস্ত্রের রিমোট আছে সেনাপ্রধানের হাতে।
আরও পড়ুন: SBIতে ভয়াবহ সাইবার হানা! ৩,৮৯৭ জন গ্রাহকের তথ্য চুরি, তা গিয়েছে ডার্কওয়েবে
পাকিস্তানি পরমাণু উপদেষ্টার মিথ্যাচার ও ব্রহ্মস
সেই দেশের ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির উপদেষ্টা লন্ডনের ওই মঞ্চ থেকে এমন সব কথা বলেছেন, তা ভুয়ো এবং মিথ্যে তথ্যে পরিপূর্ণ বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত নাকি দ্বৈত ক্ষমতাসম্পন্ন ব্রহ্মস মিসাইল ব্যবহার করেছিল। অর্থাৎ এমন ব্রহ্মস ছোড়া হয়েছিল, যা চিরাচরিত অস্ত্রের পাশাপাশি পরমাণু অস্ত্রও বহন করতে পারে। যে দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো। কারণ ব্রহ্মস শুধুমাত্র চিরাচরিত অস্ত্র নিয়ে যায় আপাতত।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


