Amazon Layoffs Latest Update: ছাঁটাই করা হল! সকালে উঠেই মেসেজ পেলেন অ্যামাজনের কর্মীরা, চাকরি হারালেন প্রায় ২৫০
Amazon Layoffs Latest Update: প্রায় ২৫০ জনকে ছাঁটাই করে দিল অ্যামাজন। চলতি মাসের গোড়ার দিকেই ভারত-সহ বিশ্বের একাধিক দেশে প্রায় ১,০০০ জনকে ছাঁটাই করা হয়েছিল। সেই রেশ কাটতে না কাটতে আরও একপ্রস্থ ছাঁটাই করা হল।
Amazon Layoffs Latest Update: সকালে উঠেই ছাঁটাইয়ের মেসেজ দেখতে পেলেন অ্যামাজনের কয়েকশো কর্মী। সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডিভাইস এবং পরিষেবা বিভাগের প্রায় ২৫০ জনকে ছাঁটাই করেছে অ্যামাজন। বিষয়টির সঙ্গে অবহিত এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে এই দফায় ছাঁটাইয়ের প্রভাব সীমাবদ্ধ থাকছে ২৫০ জনের উপরে। মূলত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ক্ষেত্রে কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
'কাঠামোর পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা' করেছে অ্যামাজন
ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, অ্যামাজনের রীতি মেনে বুধবার ভোরে কর্মীদের কাছে টেক্সট মেসেজ ও ইমেইল পাঠানো হয়। তেমনই একটি ছাঁটাইয়ের বার্তায় ডিভাইস ও পরিষেবা ক্ষেত্রের হিউম্যান রিসোর্স বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট চেরি রবিনসনের নাম আছে। তাতে বলা হয়েছে যে 'সংস্থার কাঠামোর একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা' করেছে অ্যামাজন। তাতে যে তথ্য উঠে এসেছে, তার জেরে বহুজাতিক সংস্থা ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
‘কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি’, বললেন অ্যামাজনের মুখপাত্র
আর নতুন করে কর্মী ছাঁটাইয়ের বিষয়টি অ্যামাজনের তরফে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিস্তারিত ব্যাখ্যা না করেই এক মুখপাত্র বলেছেন যে 'আমরা অল্প কয়েকটি পদ বিলুপ্ত করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি।' সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, এই দফায় কর্মী ছাঁটাইয়ের ফলে সংস্থা ‘আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারবে এবং আমাদের রোডম্যাপের সঙ্গে আরও ভালোভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে পারবে’।
অক্টোবরেই গোড়াতেই প্রায় ১,০০০ জনকে ছাঁটাই করেছিল
তবে এই প্রথমবার ছাঁটাই করল না অ্যামাজন। চলতি মাসের গোড়ার দিকেই ভারত-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় ১,০০০ জনকে ছাঁটাই করে দিয়েছিল। সেইসময় অ্যামাজনের এক মুখপাত্র হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছিলেন যে 'অল্প সংখ্যক' পদে ছাঁটাই করা হয়েছে। তাঁদের বেশিরভাগই স্টোরস ব্যবসার অন্তর্গত।
তিনি বলেছিলেন, ‘গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন উদ্ভাবন করার ক্ষেত্রে আমরা যাতে দ্রুত এগিয়ে যেতে পারি, তা নিশ্চিত করতে আমরা সবসময়ই আমাদের টিমের কাঠামো পর্যালোচনা করে দেখেছি। আমরা আমাদের স্টোর ব্যবসার কয়েকটি ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছি। কারণ আমাদের বিশ্বাস, যে বিষয়ে অগ্রাধিকার আছে, সেগুলি আরও ভালোভাবে পূরণ করতে সহায়তা করবে এই নয়া কাঠামো। এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে আমরা কয়েকটি পদ বিলুপ্ত করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে যেসব কর্মী সেই সিদ্ধান্তের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, এই পরিবর্তনকালীন সময়ে তাঁদের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


