Abhijeet Dipke Speech Latest Update: জ্ঞানেশ কুমার-বিরোধী আন্দোলনে ‘ব্রেক’ কষল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। মঙ্গলবার দশমীতে (পঞ্জিকা মতে দশমী, বাঙালিদের কাছে অবশ্যই নবমী) ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, গত ১০-১২ দিনে অনেক কিছু ঘটেছে। সেই পরিস্থিতিতে আপাতত উৎসবের কয়েকটা দিন ‘ককরোচরা’ যেন নিজেদের পরিবারের সঙ্গে কাটান। তারপর নতুন করে আন্দোলনে নামার ডাক দিয়েছেন দীপকে। পাশাপাশি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কার ভূয়সী প্রশংসা করে কেঁদেও ফেলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।
‘ককরোচদের রাস্তায় ফেলে পেটানো হয়েছে’, বললেন দীপকে
ককরোচদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর বার্তা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অভিজিৎ দীপকে। (ফাইল ছবি, সৌজন্যে রয়টার্স)
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
মঙ্গলবার ‘ককরোচদের’ উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে দীপকে বলেন, ‘গত ১০-১২ দিনে অনেক কিছু দেখেছেন। আমি নিশ্চিত যে পরিস্থিতি সৌরভের যতটা কঠিন, আশুর (আশুতোষ) জন্য পরিস্থিতি যতটা কঠিন, ততটাই পরিস্থিতিটা আপনাদের জন্য কঠিন। আমি সেটা খুব ভালোভাবেই জানি। আমি দেখেছি যে কীভাবে অনেক স্বেচ্ছাসেবকদের রাস্তায় ফেলে পেটানো হয়েছে, তাঁদের আটক করা হয়েছে। আটক করে রাখার সময়ও যথেষ্ট পরিমাণে কষ্ট দেওয়া হয়েছে।’
আমাদের পরিবারের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন, দাবি দীপকের
তিনি আরও বলেন, ‘এই পরিস্থিতিটা আমাদের থেকেও বেশি কঠিন আমাদের পরিবারের জন্য। আমাদের পরিবারের জন্য এই পরিস্থিতিটা বেশি কঠিন। কারণ এই চয়েসটা ওঁদের ছিল না। আমরা যে লড়াইটা করছি, সেটা ওঁদের চয়েস ছিল না। কিন্তু সেটার প্রভাব আমাদের পরিবারেরও উপরে পড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে এখন আমার আমি সকল ককরোচকে অনুরোধ করছি যে কয়েকদিন আপনারা সবাই নিজেদের পরিবারের সময় কাটান।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘উৎসব আসছে। গত কয়েকদিনে যা হয়েছে, তাতে আপনাদের পরিবার অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হবে। যেমন আমার পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। আশুর পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সৌরভের পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। সেরকমভাবেই পরিবার উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। তাই কয়েকদিনের জন্য নিজেদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। ওঁদের কাছে থাকুন। আমরা ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াই করছি।’
সেই রেশ ধরে সৌরভ এবং আশুতোষের প্রশংসা করেন, যাঁদের জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। দুই ‘ভাইয়ের’ বিষয়ে কথা বলার সময় আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন দীপকে। তিনি বলেন, 'সৌরভ ভালো আছে। পাঁচ-ছ'দিন জেলে থাকার পরে ওই গাধাটা কাল যেভাবে আসছিল, তাতে আমার মনে হয় না যে কোনও কিছুর সামনে ও মাথানত করবে। কিছুই ওকে ভাঙতে পারবে না।' আর আশুতোষের বিষয়ে জানান যে তাঁর আত্মীয় মারা গিয়েছেন। তাঁকে দেখতে যেতেও পারেননি। তবে দ্রুত তাঁরা মুক্তি পাবেন বলে আশাপ্রকাশ করেছেন দীপকে।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।