Anti-submarine INS Mangrol: সাবমেরিন 'হান্টার' জুড়ল ভারতীয় নৌসেনায়! ধারে ঘেঁষলেই টর্পেডো দিয়ে করবে ‘স্বাগত’
Anti-submarine INS Mangrol: সাবমেরিন 'হান্টার' জুড়ল ভারতীয় নৌসেনায়। বিধ্বংসী টর্পেডো নিয়ে তাণ্ডব চালাবে অগভীর জলে। যা তৈরি করেছে কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড। তাতে ৮০ শতাংশের বেশি এমন সরঞ্জাম আছে, যা ভারতে তৈরি।
Anti-submarine INS Mangrol: সাবমেরিন 'হান্টার' আইএনএস মাংরোল জুড়ল ভারতীয় নৌসেনায়। কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের তৈরি করা সেই ‘অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার শ্যালো ওয়াটার ক্র্যাফট’ সোমবার মুম্বইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নৌসেনায় যুক্ত করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নয়া জাহাজের ফলে নৌসেনার অ্যান্টি-সাবমেরিন ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেল। বিশেষত যে উপকূলবর্তী এলাকায় বড়-বড় রণতরীগুলির অপারেশনের ক্ষেত্রে কিছুটা বাধা থাকে, সেখানে অত্যন্ত কার্যকরী হবে। অন্যান্য মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য রণতরীর সঙ্গে সাবমেরিনের মোকাবিলা করতে পারবে।

সাবমেরিন 'হান্টার' কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
মুম্বইয়ের অনুষ্ঠানের পৌরহিত্য করা নৌসেনার ওয়েস্টার্ন নাভাল কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল সঞ্জয় বাৎসায়ন জানিয়েছেন, যখন ভূ-আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধি বাড়ছে এবং সামুদ্রিক পথে সংঘাত বাড়ছে, সেইসময় এরকম সাবমেরিন 'হান্টার' আইএনএস মাংরোল নৌবহরে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তাঁর মতে, বর্তমানে সমুদ্র শুধুমাত্র আর বাণিজ্য ও যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। রং কৌশলগত প্রতিযোগিতা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত নয়া চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রও বটে। বিস্তীর্ণ উপকূলবর্তী অঞ্চল, দ্বীপপুঞ্জ এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যিক পথ থাকায় ভারতীয় নৌসেনাকে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। আর সর্বদা প্রস্তুত থাকা নৌসেনা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও জানান ওয়েস্টার্ন নাভাল কমান্ডের ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল বাৎসায়ন।
তৃতীয় মাহে-ক্লাস ভেসেল হল আইএনএস মাংরোল
আর সেই উদ্দেশ্যে ভারতীয় নৌসেনায় যে আইএনএস মাংরোল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। একইভাবে মাইনসুইপার ১৯৮৩ সাল থেকে ২০০৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ভারতীয় নৌসেনায় ছিল। এবার নতুনভাবে নৌসেনায় ফিরে এল আইএনএস মাংরোল। যা কোচিন শিপইয়ার্ডের তৈরি করা তৃতীয় মাহে-ক্লাস ভেসেল। মোট আটটি এরকম ভেসেল তৈরি করবে কোচিন শিপইয়ার্ড।
ভারতের আইএনএস মাংরোলে কী কী আছে?
১) আইএনএস মাংরোলে তিনটি ডিজেল ইঞ্জিন থাকছে। এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে অগভীর জলেও দ্রুত চলাচল করতে পারে এবং দ্রুত বাঁক নিতে পারে।
২) ওই অ্যান্টি-সাবমেরিনে অভয় হাল-মাউন্টেন্ড সোনার আছে। থাকছে লাইটওয়েট টর্পেডো, দেশীয়ভাবে তৈরি অ্যান্টি-সাবমেরিন রকেট লঞ্চার এবং মারিচ অ্যাডভান্সড টর্পেডো ডেকোয় সিস্টেম।
৩) দেশীয়ভাবে তৈরি ৮০ শতাংশের বেশি সরঞ্জাম দিয়ে আইএনএস মাংরোল তৈরি করা হয়েছে।
৪) নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, আধুনিক অস্ত্র এবং সেনসর আছে আইএনএস মাংরোলে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


