...
...
Next Story

Assam Flood Unsung Hero: ডিঙি নিয়ে বন্যায় ২০০০ জনকে বাঁচালেন মাধ্যমিক না দেওয়া শ্রাবণ, ভেসেছে নিজের বাড়ি

Assam Flood Unsung Hero: অসমের বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ। তারইমধ্যে শনিবার থেকে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তারইমধ্যে এক যুবক ও তাঁর বন্ধুবান্ধবরা যা করলেন, তা মানবিকতার নজির হয়ে থাকল। উদ্ধার করলেন প্রায় ২,০০০ মানুষকে।

Published on: Aug 2, 2026, 10:58:55 IST
Advertisement

Assam Flood Unsung Hero: কোনও প্রশিক্ষণ নেই, নেই কোনও মোটরবোটও - অসমের ভয়াবহ বন্যায় একা হাতে ২,০০০ মানুষের জীবন বাঁচিয়ে নায়ক হয়ে উঠলেন ২৫ বছরের যুবক এবং তাঁর বন্ধুরা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, উদ্ধারকারী দলগুলি যখন আধুনিক মোটরবোট বা লাইফ জ্যাকেট নিয়ে অসমের বিপজ্জনক এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করছিল, তখন শ্রাবণ কুমার কোনও আধুনিক সরঞ্জামের তোয়াক্কা করেননি। তাঁর কাছে ছিল না কোনও শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত বোট বা আধুনিক সুরক্ষা গিয়ার। কেবল একটি সাধারণ ডিঙি এবং নিজের বাহুবল ও অভিজ্ঞতাকে সম্বল করে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়েন।

নিজের বাড়ি ভেসে গিয়েছে জলে, পরোয়া করেননি শ্রাবণ

বন্যায় ভয়াবহ অবস্থা অসমের। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)
বন্যায় ভয়াবহ অবস্থা অসমের। (ছবি সৌজন্যে পিটিআই)

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দিন-রাত এক করে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে দিয়েই গ্রামের পর গ্রাম ঘুরে বেরিয়েছেন শ্রাবণ ও তাঁর বন্ধুরা। জলবন্দী হয়ে থাকা অসহায় শিশু, বয়স্ক, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এবং অসুস্থ মানুষকে খুঁজে-খুঁজে উদ্ধার করেছেন তাঁরা। অথচ বন্যার জল ঢুকে গিয়েছে শ্রাবণের নিজের বাড়িতেই। যিনি দশম শ্রেণিতে পড়তেই-পড়তেই স্কুলছুট হয়ে যান।

আরও পড়ুন: Greater Kolkata Ingrastructure Plan: বৃহত্তর কলকাতাকে চেনাই যাবে না! রিং রোড, এলিভেটেড করিডোর-সহ 'ভিশন ২০৪৭'-র নকশা

১ বা ২ নয়, প্রায় ২,০০০ জনের প্রাণরক্ষা

একবার বা দু'বার নয়, বারবার ডিঙি নিয়ে গিয়ে শ্রাবণ ও তাঁর দলের সদস্যরা পাঁচটি গ্রামের প্রায় ২০০০ মানুষকে নিরাপদে আশ্রয়কেন্দ্রে বা শুকনো উঁচু স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন। ক্ষুধার্ত ও আতঙ্কিত মানুষগুলোর কাছে তিনি যেন সাক্ষাৎ দেবদূত হয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন। শুধু মানুষকে উদ্ধার করাই নয়, বহু পরিবারের শেষ সম্বল গবাদি পশু ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিরাপদে সরিয়ে নিতেও তিনি দিনরাত এক করে সাহায্য করেছেন।

তারইমধ্যে শনিবার অসমের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা কমে ১.৭৮ লাখে নেমে এসেছে। তবে অসম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষে তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলার সংখ্যা পাঁচটি থেকে বেড়ে সাতটিতে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এখনও পর্যন্ত এবারের বন্যায় ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe