পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে মুসলমানদের ওপর দমন-পীড়নের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ঢাকায় পথে নামল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। ১০ মে ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সামনে এই ইস্যুতে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করে তারা। ‘পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও ভারতজুড়ে মুসলিম নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও পদযাত্রা’ ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি আসরের নমাজের পর শুরু হয়। সেখান থেকে ভারত বিরোধী স্লোগান ওঠে। বক্তারা উস্কানিমূলক মন্তব্য করেন। (আরও পড়ুন: মুখে হাসি, মনে দুঃখ! শুভেন্দু নিয়ে কটাক্ষ ইউনুস সরকারে উপদেষ্টা থাকা আসিফের)

আরও পড়ুন: তৃণমূলের আইপ্যাক থাকলে শুভেন্দুর আছে হাসিনা? বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধার হাস্যকর দাবি
খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, 'মসজিদ-মাদ্রাসায় হামলা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। পশ্চিমবঙ্গ ও আসামসহ ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের নাগরিক অধিকার হরণ এবং সাম্প্রদায়িক আগ্রাসনের ঘটনায় মুসলিম বিশ্ব আজ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ভারতের উচিত বাংলাদেশকে অনুসরণ করা। এদেশের মানুষ, বিশেষ করে আলেম-উলামারা নিজেদের জীবন বাজি রেখে সংখ্যালঘুদের জানমাল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।' যদিও বাংলাদেশে ওই লোখ দেখানো পাহারার পরেও হিন্দুদের বাড়ি পুড়েছে। নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে বহু সংখ্যালঘুকে। মন্দির ভেঙেছে, পুড়েছে। এহেন বাংলাদেশের মৌলবাদী নেতা 'জ্ঞান' দিলেন ভারতকে। (আরও পড়ুন: '২৬ লাখ অবৈধ ভারতীয়কে বাংলাদেশ থেকে বের করতে হবে', যুক্তির নেই বালাই, তবু দফার নেই কো শেষ!)
বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে এই নেতা বলেন, 'ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি পরিহার করে এসব ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে।'
{{/usCountry}}বিএনপি সরকারের কঠোর সমালোচনা করে এই নেতা বলেন, 'ভারতে মুসলমানদের ওপর চলমান নিপীড়ন কেবল একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি মানবতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রশ্ন। মুসলিম উম্মাহর পক্ষ থেকে এর বিরুদ্ধে সোচ্চার প্রতিবাদ অব্যাহত রাখতে হবে। সরকারকে ভারতীয় তাঁবেদারি পরিহার করে এসব ঘটনায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করতে হবে।'
{{/usCountry}}এদিকে দলটির ঢাকা উত্তর মহানগর শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন রাজি বলেন, 'ভারতে যা ঘটছে সে সম্পর্কে সত্য তুলে ধরতে আমরা গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার নীরব রয়েছে। আমাদের গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা পালনের এটাই সময়।' উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে পুরনো এবং ভুয়ো ভিডিয়ো দেখিয়ে দাবি করা হচ্ছে, ভারতে নাকি মুসলিমদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে।