ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে আজ সোমবার এনসিপির নেতা মোতালেব শিকদারের ওপর চলেছে গুলি। ঘটনা ঘিরে নতুন করে তোলপাড় বাংলাদেশ। হাদির খুনিকে যখন নাগাড়ে খুঁজছে পুলিশ, তখন মোতালেবের ওপর গুলি চালনাকারী যাতে হাত ছাড়া না হয়ে যায়, তার চেষ্টায় পুলিশ। আর এই গুলি চালনার খবর আসতেই বাংলাদেশের সাতক্ষীরা সীমান্ত, চুয়াডাঙা সীমান্তে জোরদার নিরাপত্তায় বিজিবি। মোতালেবের ওপর গুলি চালনার পর সীমান্তে যখন বিজিবির কড়া নিরাপাত্তা দেখা যাচ্ছে, এদিকে, তখন পুলিশ জানাচ্ছে, এনসিপি নেতা মোতালেবের ওপর গুলি চালনা একান্তই ব্যক্তিগত কারণ বলে প্রাথমিক অনুমান। জানানো হচ্ছে আপাতত তদন্তে রাজনৈতিক কোনও কারণ মেলেনি।

এনসিপি নেতা মোতালেব শিকদারের ওপর গুলি চালনা নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বলছে, বাড়ির ভেতরের অন্তর্কোন্দলের জেরে এই ঘটনা বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। প্রথমে জানা গিয়েছিল, মোতালেবকে রাস্তায় গুলি করা হয়েছে। জানা যায়, পুলিশকে মোতালেব বলেন, মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে ঘটনা বাড়ির ভিতরে হয়েছে, রাস্তায় নয়। গুলিবিদ্ধ মোতেলেবের রক্তক্ষরণ হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ বলছে,'তাঁকে কারা হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেটাও আমরা খুঁজে দেখছি।' এদিকে, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে আসতেই ঘটনার স্থল শণাক্ত করে ফেলে পুলিশ।
মোতালেব কাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছে,'আমরা মুক্তা হাউস নামের বাড়িতে এসে দেখতে পাই, ঘটনাস্থল এখানেই। এখানে বিভিন্ন স্থানে আমরা রক্তের দাগ পেয়েছি। ঘরটিতে ঢোকার পর আমরা দেখতে পাই, সেখানে মাদকের ছড়াছড়ি।' এরপর পুলিশ জানায়,' বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং সেখানে আমরা একটি গুলির খোসাও পেয়েছি। একটি বিষয় আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে এখানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অন্তর্কোন্দলের কারণে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে।' বাংলাদেশের মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, মুক্তা হাউস নামে যে বাড়ির প্রসঙ্গ উঠছে, সেখানে ভাড়া নিয়ে থাকতেন এক মহিলা। বা়ড়ির মালকিন ‘প্রথম আলো’কে জানিয়েছেন, বাড়িতে নিয়মিত অনেকের যাতায়ত ছিল। জানা যাচ্ছে, ওই বাড়ির নিচে গুলিবিদ্ধ হয়েছে মোতালেব। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, দুজন ব্যক্তি ঘটনার আগের রাতে ওই বাড়িতে আসতেও দেখা গিয়েছে। যে মহিলা ওই বাড়িতে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি নিজেকে এনজিওকর্মী পরিচয় দিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}মোতালেব কাণ্ডের তদন্তে নেমে পুলিশ জানিয়েছে,'আমরা মুক্তা হাউস নামের বাড়িতে এসে দেখতে পাই, ঘটনাস্থল এখানেই। এখানে বিভিন্ন স্থানে আমরা রক্তের দাগ পেয়েছি। ঘরটিতে ঢোকার পর আমরা দেখতে পাই, সেখানে মাদকের ছড়াছড়ি।' এরপর পুলিশ জানায়,' বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং সেখানে আমরা একটি গুলির খোসাও পেয়েছি। একটি বিষয় আমরা নিশ্চিত হয়েছি যে এখানে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের অন্তর্কোন্দলের কারণে গুলির ঘটনাটি ঘটেছে।' বাংলাদেশের মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, মুক্তা হাউস নামে যে বাড়ির প্রসঙ্গ উঠছে, সেখানে ভাড়া নিয়ে থাকতেন এক মহিলা। বা়ড়ির মালকিন ‘প্রথম আলো’কে জানিয়েছেন, বাড়িতে নিয়মিত অনেকের যাতায়ত ছিল। জানা যাচ্ছে, ওই বাড়ির নিচে গুলিবিদ্ধ হয়েছে মোতালেব। মিডিয়া রিপোর্ট বলছে, দুজন ব্যক্তি ঘটনার আগের রাতে ওই বাড়িতে আসতেও দেখা গিয়েছে। যে মহিলা ওই বাড়িতে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন তিনি নিজেকে এনজিওকর্মী পরিচয় দিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।
{{/usCountry}}