Bangladesh stops Hilsa Export from India: ভারতের ইলিশ বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাওয়ার ভয়? হঠাৎই আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ সরকার!
Bangladesh stops Hilsa Export from India: ভারতের ইলিশ বেশি জনপ্রিয় হয়ে যাওয়ার ভয়? হঠাৎই আমদানি বন্ধ করল বাংলাদেশ সরকার। বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০৩টি 'নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট' (এনওসি) বাতিল করে দিয়েছে ঢাকা।
Bangladesh stops Hilsa Export from India: আচমকাই ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার মৎস্য দফতরের তরফে ১০৩টি 'নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট' (এনওসি) বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কী কারণে হঠাৎ এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে অবশ্য তারেক রহমান সরকারের তরফে কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের। কারণ বড়সড় লোকসানের মুখে পড়তে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।

কত টন ইলিশ গিয়েছে ভারত থেকে?
এমনিতে এবার ভারত থেকে প্রায় ১,৭৪০ টন ইলিশ নিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে বাংলাদেশের মৎস্য দফতরের পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত বেনাপোল দিয়ে ইলিশ এসেছে ৫৪০ টনের মতো। অর্থাৎ যতটা অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তার অনেকটাই আমদানি করা হয়েছে।
কোন কোন কারণে সেই আমদানি বন্ধ করা হতে পারে?
তারপরও আচমকা ইলিশের আমদানি বন্ধ করে দেওয়ার কারণ নিয়ে হইচই চলছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ভারত থেকে যে রূপোলি শস্য আনা হচ্ছিল, সেগুলিকে পদ্মার ইলিশ বলে চালাচ্ছিলেন একশ্রেণির বিক্রেতা। যেখানে ভারত থেকে আনা এক কেজি ইলিশের দাম ৫০০ টাকার পড়ছিল, সেগুলিকে বাংলাদেশের বাজারে চড়া দামে বিক্রি করছিলেন। এমনকী দামটা ৩,০০০ টাকায় পৌঁছে যাচ্ছিল। আবার অনেক ক্ষেত্রে আমদানির সময় দাম বেশি দেখানো হচ্ছিল বেশি মুনাফার লোভে।
আশঙ্কাও দানা বেঁধেছে বাংলাদেশ সরকারের মনে?
সেইসবের পাশাপাশি সম্ভাব্য কারণ হিসেবে আরও একটি বিষয় উঠে এসেছে। সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি মহলের তরফে আশঙ্কা করা হচ্ছে যে ভারত থেকে যদি বেশি পরিমাণে ইলিশ আনা হয়, তাহলে বাংলাদেশের রূপোলি শস্য ধরার ক্ষেত্রে মৎস্যজীবী বা জেলেদের আগ্রহ কমে যেতে পারে। সেই কারণেও আচমকাই ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
আসলে ভারত যে ইলিশ পাঠানো হয়েছে, তার বেশিরভাগটাই গুজরাটের। যে ইলিশে ডিম ভরতি থাকে। সেটা বাংলাদেশের বাজারে বেশ জনপ্রিয়। বিশষত চট্টগ্রাম, সিলেটের মতো জায়গায় ডিমে ঠাসা ইলিশের চাহিদা ভালোমতো আছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


