Bangladesh Teesta Masterplan Delay: বাংলাদেশের ‘স্বপ্নের’ তিস্তা প্রকল্প পিছিয়ে যাচ্ছে আবারও। বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'তিস্তা নদীর অববাহিকা ব্যবস্থাপনা প্রকল্প'-র নির্মাণকাজ শুরু করার আগে নতুন করে সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারেক রহমান সরকার। সেই পরিস্থিতিতে যে প্রকল্প ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল, সেটার কাজ ২০২৯ সালের আগে শুরুই করা যাবে না বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
নতুন করে সমীক্ষা, ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত চলবে

নতুন করে সেই সমীক্ষা হতে চলেছে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে। ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নয়া যে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে যে নিজেদের টাকায় স্বাধীনতা সেই সমীক্ষা চালাবে বাংলাদেশ সরকার। সেই রিপোর্ট জমা পড়ার পরই তিস্তা প্রকল্পের নির্মাণকাজ সংক্রান্ত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে নতুনভাবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি বছর সেই প্রস্তাবে অনুমোদন পড়বে। সমীক্ষা শুরু হবে আগামী বছর থেকে। আর শেষ হবে ২০২৮ সালের মার্চে। তারপর নির্মাণ কাজ শুরু করতে বছরখানেক মতো লাগবে বলে জানানো হয়েছে।
চিন নাকি স্বাগত জানিয়েছে নয়া প্রস্তাবকে
আর সেই নতুন করে সমীক্ষার পরিকল্পনাকে নাকি চিন স্বাগত জানিয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যে প্রকল্পের জন্য ২০১৬ সালে চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছিল ঢাকা। ২০২০ সালে সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছিল। বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন করে সমীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে সমর্থন জানিয়েছে বেজিং। আর সমীক্ষার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানেরও বার্তা দিয়েছে।
{{/usCountry}}আর সেই নতুন করে সমীক্ষার পরিকল্পনাকে নাকি চিন স্বাগত জানিয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। যে প্রকল্পের জন্য ২০১৬ সালে চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছিল ঢাকা। ২০২০ সালে সমীক্ষার রিপোর্টও জমা দিয়েছিল। বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন করে সমীক্ষা করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাতে সমর্থন জানিয়েছে বেজিং। আর সমীক্ষার জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদানেরও বার্তা দিয়েছে।
{{/usCountry}}ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
বেজিং যে সেটা করবে, তা স্বাভাবিক বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। কারণ যেখানে ওই প্রকল্প গড়ে উঠবে, তা ভারতের কার্যত ঢিলছোড়া দূরত্বে। অত্যন্ত স্পর্শকাতর শিলিগুড়ি করিডর বা ‘চিকেনস নেক’ থেকে সেটির দূরত্ব মেরেকেটে ১০০ কিলোমিটারের মতো। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের একেবারে নাকের ডগায় চিনাদের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি নয়াদিল্লির জন্য যথেষ্ট উদ্বেগজনক। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিও বাড়বে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
যে প্রকল্প নিয়ে জুলাইয়েই নাম না করে ভারতকে খোঁচা দিয়েছিলেন বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির প্রধান শফিকুর রহমান। তিনি বলেছিলেন, 'তিস্তা প্রকল্প সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। দেশের স্বার্থে যা প্রয়োজন, আমরা তাই করব। আমাদের উন্নতিতে বন্ধু রাষ্ট্রগুলির খুশি হওয়ারই কথা। তবু কেউ যদি অসন্তুষ্ট হন, তাহলে রাজশাহীর আম পাঠিয়ে তাঁকে খুশি করার চেষ্টা করব।'