Bangladeshi Politician on WB Election: পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করে ইতিহাস গড়েছে বিজেপি। রাজ্যের নবম মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তাতেই যেন জ্বালা ধরেছে ওপার বাংলায়। এই আবহে বাংলাদেশিরা একেক জন একেক আজব যুক্তি দিচ্ছে, হাস্যকর সব কথা বলছে। সেই তালিকায় এবার নাম লেখালেন সেই দেশের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা মুক্তিযোদ্ধা অলি আহমেদ। মুক্তিযোদ্ধা হলেও বিগত দিনে তিনি জামাতপন্থী হিসেবে পরিচিতি পেয়ে আসছেন। এহেন অলির দাবি, শুভেন্দু নাকি হাসিনার পরামর্শে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন। (আরও পড়ুন: '২৬ লাখ অবৈধ ভারতীয়কে বাংলাদেশ থেকে বের করতে হবে', যুক্তির নেই বালাই, তবু দফার নেই কো শেষ!)

রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে আইপ্যাককে নিয়োগ করেছিল তৃণমূল। আর বাংলাদেশিদের দাবি, বিজেপি এবং শুভেন্দুকে রাজনৈতিক পরামর্শ দিয়ে চলেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা। চট্টগ্রামে ১১ দলীয় ঐক্যের (জোটে জামাতে ইসলামিও আছে) সেমিনারে প্রধান অতিথি বক্তব্য দেওয়ার সময় সেই সুরেই সুর মিলিয়ে অলি বলেন, 'কিছুদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হয়েছে। সেখানেও বাংলাদেশ থেকে দীক্ষিত হয়ে এবং হাসিনার পরামর্শে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। মমতাকে হারিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে।'
এদিকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি ভিত্তিহীন ভাবে বলেন, 'নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। পত্র-পত্রিকায় দেখলাম, মুসলমানদের গাড়িতে বেঁধে টেনে নিয়ে নির্যাতন করা হচ্ছে।' এই ধরনের কোনও ঘটনা অবশ্য ঘটেনি। রাজ্যে ভোটপরবর্তী হিংসায় কয়েকজনের মৃত্যু ঘটেছে। তাদের মধ্যে অন্তত ৪ জন বিজেপির। তৃণমূলেরও বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের অধিকাংশই সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের। ডোমকলে সিপিএমের সংখ্যালঘু কর্মীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলেরও বিরুদ্ধে। এই আবহে ভিত্তিহীন ভাবে ভারতে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে মনগড়া কাহিনী বলা হচ্ছে বাংলাদেশে। এমনকী বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার চালানো হবে বলে হুমকি দিচ্ছে অনেক মৌলবাদী।