Bengaluru company ban 4 North India States: 'উত্তর ভারতের ৪ রাজ্যের কোনও ছেলেকে চাকরি দেব না', ফতোয়া কোম্পানির

Bengaluru company ban 4 North India States: 'উত্তর ভারতের চারটি রাজ্যের কোনও ছেলেকে চাকরি দেব না', ফতোয়া জারি করলেন বেঙ্গালুরুর কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা। তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। অনেকে পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। অনেকে আবার বিরোধিতা করেছেন।

Published on: Sep 23, 2026, 22:24:17 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Bengaluru company ban 4 North India States: উত্তর ভারতের চারটি রাজ্য থেকে কোনও পুরুষকে চাকরি দেবে না বলে ঘোষণা করল বেঙ্গালুরুর একটি সংস্থা। এ১ স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড নামে ওই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা কার্তিক এসজি জানিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশের কোনও পুরুষকে তাঁর সংস্থায় নিয়োগ করবেন না। আর সেটার নেপথ্যে আছে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা। এমবিএ গ্র্যাজুয়েট করা এক পুরুষ কর্মী মহিলাদের সঙ্গে দুর্ব্যবস্থার করতেন। এমনকী শারীরিকভাবে হেনস্থা করারও চেষ্টা করেছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন কার্তিক।

উত্তর ভারতের চারটি রাজ্যের কোনও ছেলেকে চাকরি দেব না, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেঙ্গালুরুর কোম্পানি। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)
উত্তর ভারতের চারটি রাজ্যের কোনও ছেলেকে চাকরি দেব না, সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেঙ্গালুরুর কোম্পানি। (ছবিটি প্রতীকী, সৌজন্যে ন্যানো ব্যানানা দিয়ে তৈরি করা)

'১ রাজস্থান মহিলা পুরো সমর্থন করেছেন সেই সিদ্ধান্তের'

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বার্তা তিনি বলেন, ‘আমি এই বিষয়টির জন্য দুঃখিত। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা এবং তর্কবিতর্কের পরে আজ আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট করে দিয়েছি যে উত্তর ভারতের এই চারটি রাজ্য থেকে আসা কোনও পুরুষ প্রার্থীকে আমরা চাকরিতে নেব না - উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশ। আমাদের (টিমে) ইতিমধ্যে একজন রাজস্থানি (মহিলা) আছেন। আর তিনি ১০০ শতাংশ এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন: Indian on Pakistan and OIC Meeting: 'নাটক করে তো ঋণ শোধ হয় না', পাককে খোঁচা ভারতের, মুসলিম দেশের সংগঠনকে দেখাল ‘ভূত’

সেই সিদ্ধান্তের জেরে প্রশ্নের মুখে পড়েন কার্তিক

আর সেই বিষয়টি শুরু হয় বিতর্ক। উত্তর ভারত এবং দক্ষিণ ভারত বিতর্কও শুরু হয়ে যায়। একজন নেটিজেন বলেন, 'ভাবুন, একজন কর্মী নিয়োগের কতটা বাজে যে দক্ষতার নিরিখে ব্যক্তিগত স্তরে কাউকে বিচার পরিবর্তে পুরো রাজ্যকেই কালো তালিকাভুক্ত করে দিচ্ছেন। আর তারপর নিজের সিদ্ধান্তের গ্রহণযোগ্যতা দেখাতে একজন কর্মীর কথা বলছেন। এই পোস্টের মাধ্যমে যতটা না বেশি উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, বিহার বা মধ্যপ্রদেশের ছবি প্রকাশ পাচ্ছে, তার থেকে বেশি আপনাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ার ছবিটা সামনে আসছে।'

আরও পড়ুন: Indian Navy Submarine Project Update: সাবমেরিনের ‘সিক্রেট’ পাবে ভারত! ৭০,০০০ কোটির চুক্তিতে তৈরি জার্মানি, ড্রোনেও নজর

নিজের সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে কী যুক্তি পেশ কার্তিকের?

যদিও নিজের সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে যুক্তি পেশ করে কার্তিক বলেন, 'আমরা এই সিদ্ধান্তের পক্ষেই আছি। ও একজন এমবিএ গ্র্যাজুয়েট ছিল। রেজিউম এবং ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে ভালো ভালো মনে হয়েছিল। কিন্তু দু'মাস পর থেকেই মহিলা কর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করতে শুরু করেছিল। এমনকী একজন মহিলা কর্মীকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করেছিল। ব্যবসা চালানোর থেকেও আমাদের কাছে আমাদের টিমের সুরক্ষা এবং আমরা যাঁদের সঙ্গে কাজ করি, সেই বাচ্চাদের নিরাপত্তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা মানুষের জীবনকে মূল্য দিই। একে অপরকে সম্মান করি।'

আরও পড়ুন: Banks to remain open on Sunday: রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা! কর্মীরা টানা ৩ দিন ধর্মঘটের ডাক দিতে কড়া পথে হাঁটল কেন্দ্র

যুক্তি ও পালটা যুক্তি

যদিও সেই যুক্তি মেনে নেননি অনেকেই। তাঁদের বক্তব্য, উত্তর ভারতের ওই চারটি রাজ্যে জন্মগ্রহণ করলেই কীভাবে কারও যৌন হেনস্থাকারী হয়ে ওঠার আশঙ্কা বেশি থাকে? এরকম না করে নিজেদের নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ভালো করার পরামর্শ দিয়েছেন কেউ-কেউ। আবার অনেকেই পাশে দাঁড়িয়েছেন ওই সংস্থার। তেমনই একজন বলেছেন, 'আপনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছি। কারণ এই ব্যাপারটা ওদের বেড়ে ওঠার মধ্যে গভীরভাবে নিহিত আছে।'

  • Ayan Das
    ABOUT THE AUTHOR
    Ayan Das

    অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More