Blue Origin rocket: বড় ধাক্কা জেফ বেজোসের! লঞ্চ প্যাডেই ধ্বংস ‘ব্লু অরিজিন’-এর রকেট

Blue Origin rocket: একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লঞ্চপ্যাডে রকেটটি বিস্ফোরিত হয়েছে। বিস্ফোরণের পর পুরো রকেটটি একটি বিশাল আগুনের গোলায় পরিণত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

Published on: May 29, 2026, 12:10:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Blue Origin rocket: বৃহস্পতিবার রাতে কেপ ক্যানাভেরালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণের সময়ে নাটকীয়ভাবে বিস্ফোরণ ঘটে জেফ বেজোস-এর সংস্থা ‘ব্লু অরিজিন’-এর নিউ গ্লেন রকেটে। এর ফলে সংস্থার মহাকাশ গবেষণায় বড় বাধা পড়ল বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে এই ঘটনায় প্রাণহানির কোনও তথ্য মেলেনি।

লঞ্চ প্যাডেই ধ্বংস ‘ব্লু অরিজিন’-এর রকেট (Courtney Blair via REUTERS)
লঞ্চ প্যাডেই ধ্বংস ‘ব্লু অরিজিন’-এর রকেট (Courtney Blair via REUTERS)

একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, লঞ্চপ্যাডে রকেটটি বিস্ফোরিত হয়েছে। বিস্ফোরণের পর পুরো রকেটটি একটি বিশাল আগুনের গোলায় পরিণত হয় এবং মুহূর্তের মধ্যেই চারপাশ ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। কেপ ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশনে স্থানীয় সময় রাত ৯টা নাগাদ একটি ‘হটফায়ার টেস্ট’ বা অগ্নিপরীক্ষা চালানোর সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এই বিস্ফোরণে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বিবৃতিতে ব্লু অরিজিন জানিয়েছে, রকেটের পরীক্ষার সময় একটি 'অস্বাভাবিক ত্রুটি' দেখা দেয় এবং তা থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। ব্রেভার্ড কাউন্টির জরুরি ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, এই ঘটনায় সাধারণ জনগণের জন্য কোনও হুমকি বা ঝুঁকি নেই।

জেফ বেজোসের বিশেষ বার্তা

বিস্ফোরণের পর ব্লু অরিজিনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এক্স পোস্টে লিখেছেন, 'সব কর্মী সুরক্ষিত ও নিরাপদে আছেন। তবে এখনও বিস্ফোরণের মূল কারণ জানা যায়নি। আমরা ইতিমধ্যেই তা খুঁজে বের করার কাজ শুরু করেছি।' অত্যন্ত দুঃখ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, ‘আজকের দিনটি খুবই কঠিন ছিল, তবে আমাদের যা কিছু পুনর্নির্মাণ করা প্রয়োজন আমরা তা করব এবং আবারও আকাশে উড়ব। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান একটি প্রচেষ্টা।’ অন্যদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্স জানিয়েছে, জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং ত্রুটির সঠিক কারণ অনুসন্ধানে ব্লু অরিজিনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে।

এপ্রিল মাসে নিউ গ্লেনের তৃতীয় উৎক্ষেপণে ব্যর্থতার পর এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের সমস্যা। সেবার প্রথম স্তর (বুস্টার) সফলভাবে অবতরণ করলেও দ্বিতীয় স্তর ব্যর্থ হয় এবং স্যাটেলাইট সঠিক কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি। নিউ গ্লেনের চতুর্থ মিশনে অ্যামাজনের লিও ব্রডব্যান্ড স্যাটেলাইট কনস্টেলেশনের ৪৮টি স্যাটেলাইট বহন করার কথা ছিল। এ প্রসঙ্গে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানায়, এই টেস্টটি তাদের লাইসেন্সকৃত কার্যক্রমের আওতায় ছিল না। ঘটনায় কোনও এয়ার ট্রাফিকের ওপর কোনও প্রভাব পড়েনি। নাসার প্রধান জারেড আইজ্যাকম্যান বলেন, ‘স্পেসফ্লাইট ক্ষমাহীন, এবং নতুন হেভি-লিফট লঞ্চ সক্ষমতা তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন। আমরা আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে এই অ্যানোমালির পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করব।’ এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরণ ব্লু অরিজিনের চন্দ্র অভিযানসহ (নাসার আর্টেমিস প্রোগ্রাম) ভবিষ্যৎ মিশনগুলোতে কী প্রভাব ফেলবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।