CBSE OSM Controversy Update: অন-স্ক্রিন মার্কিং নিয়ে 'পজিটিভ' রিল বানাতে সিবিএসই স্কুলগুলিকে নির্দেশ বোর্ডের
রিপোর্ট অনুযায়ী, বোর্ডের তরফে স্কুলের অধ্যক্ষদের জন্য একটি আলাদা নথি পাঠানো হয়েছে। কীভাবে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলতে হবে, তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সেই নথিতে। ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে বাড়তে থাকা সমালোচনা ও উদ্বেগের আবহেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
সিবিএসই-র অন-স্ক্রিন মার্কিং বা ওএসএম পদ্ধতি ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এবার স্কুলগুলির জন্য বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বোর্ডের তরফে স্কুলের অধ্যক্ষদের জন্য একটি আলাদা নথি পাঠানো হয়েছে। কীভাবে অভিভাবক ও পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলতে হবে, তা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে সেই নথিতে। ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে বাড়তে থাকা সমালোচনা ও উদ্বেগের আবহেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কী বক্তব্য রাখতে হবে, তার নমুনা দেওয়া হয়েছে 'ম্যাটেরিয়াল ফর প্রিন্সিপালস' নামে ওই নথিতে। সেখানে স্কুলগুলিকে বলা হয়েছে, অভিভাবক ও পড়ুয়ারা যাতে আতঙ্কিত না হয়ে পড়ে, তার জন্য বোঝাতে হবে। একইসঙ্গে ওএসএম পদ্ধতির পক্ষে ইতিবাচক প্রচার চালানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল তৈরি করে এই নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতির সুবিধাগুলি তুলে ধরার কথাও উল্লেখ রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
এর আগে ওএসএম পদ্ধতি নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। বহু পড়ুয়া ও অভিভাবকের দাবি ছিল, ভুল উত্তরপত্র আপলোড হওয়া, স্ক্যান কপি অস্পষ্ট থাকা, কিছু উত্তরের মূল্যায়ন না হওয়া-সহ নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। শিক্ষকদের একাংশও অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই তাঁদের নতুন ডিজিটাল মূল্যায়ন ব্যবস্থায় কাজ করতে হয়েছে। অনেকের মতে, দ্রুত মূল্যায়নের চাপ থাকায় ভুল হওয়ার আশঙ্কা বেড়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিবিএসই এ বছর প্রথমবার বড় আকারে এই ডিজিটাল মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করে। বোর্ডের দাবি, এর মাধ্যমে মূল্যায়ন আরও স্বচ্ছ ও ছাত্রবান্ধব হবে। তবে বাস্তবে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যা সামনে আসার পরই সমালোচনা বাড়তে শুরু করে। এমনকি কয়েক হাজার উত্তরপত্র পরে হাতে পরীক্ষা করতে হয়েছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান ইতিমধ্যেই এই বিতর্ক নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সমস্যার বিষয়টি সরকার গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের কাজ চলছে। পাশাপাশি যাঁদের গাফিলতি প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


