Abhijeet Dipke Cockroach Rakhi: আরশোলার রাখি পরলেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সেই ছবি নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন। যে রাখিতে লেখা আছে, ‘RAKHI AUR ISTAFA MUBARAK (রাখি ও ইস্তফার শুভেচ্ছা)’। তবে তিনি নিজে কিছু বলেননি। শুধু ছবির একটি স্মাইল দেন। আর সেই পোস্টের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার একাংশের রোষের মুখে পড়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। কেউ-কেউ কটাক্ষ করে বলেছেন যে সবকিছুর মধ্যে রাজনীতি টেনে আনার প্রয়োজন নেই। আবার কেউ-কেউ অভিজিতের পাশেও দাঁড়িয়েছেন।
বর্ণ-ভিত্তিক সংরক্ষণ নিয়ে নড্ডাকে আক্রমণ দীপকের
আরশোলার রাখি পেলেন অভিজিৎ দীপকে।
{{^htLoading}} {{/htLoading}}
তারইমধ্যে 'সংরক্ষণ হটাও' বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বৈঠকে বসার জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নড্ডাকে আক্রমণ শানিয়েছেন দীপকে। বর্ণ-ভিত্তিক সংরক্ষণ তুলে দেওয়ার দাবিতে গত ২১ অগস্ট দিল্লিতে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সেই বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয় ইনস্টাগ্রাম পেজ রিজার্ভেশন হটাও আন্দোলনের তরফে।
আর সেই বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নড্ডার 'আন্তরিক' বৈঠকের পরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘২১ অগস্টের সেই আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য কী? দেশ তা জানতে চায়। যার নাম নড্ডা নিচ্ছেন না।’ আর নড্ডা ওই বৈঠকের পরে বলেছিলেন, ‘২১ অগস্ট যন্তর মন্তরে হওয়া বিক্ষোভের পরে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিবাদী দলের সদস্য হর্ষ দুবে, রণ বাহাদুর সিং চৌহান এবং মৃত্যুঞ্জয় পাঠকের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা শীঘ্রই আবারও মিলিত হব।’
তারইমধ্যে সব রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীদের চিঠি লিখে সরকারি স্কুলের পরিকাঠামো, শিক্ষকের শূন্যপদ এবং অর্থবরাদ্দ সংক্রান্ত তথ্য চান সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ও আহ্বায়ক। নিজের চিঠিতে পানীয় জল ও ব্যবহারযোগ্য শ্রেণিকক্ষের মতো মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন দীপকে। মন্ত্রীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন যে তাঁরা যেন ‘গণশিক্ষার অবস্থাকে জরুরি অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করেন’।
তিনি বলেন, ‘শিক্ষালাভের জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধার জন্যও যখন শিশুরা এখনও সংগ্রাম করছে, তখন আমরা কীভাবে আমাদের দেশের অগ্রগতির আশা করতে পারি?’ সেইসঙ্গে দেশের রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেন ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আমাদের স্কুলগুলোর অবস্থার উন্নতি’ করা হয়।
অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা:
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা:
নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা:
অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।