Cockroach Janta Party Latest Update: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতারা জেলে যেতে ভয় পান বলে দাবি করলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কন্ডেয় কাটজু। তিনি দাবি করেছেন, সিজেপি নেতা সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা তো এবার সপ্তাহখানেকের জন্য জেলে গিয়েছিলেন। কিন্তু পিস বন্ডে স্বাক্ষর করে এমন কাজ করেছেন, যার ফলে এবার দীর্ঘদিন জেলে কাটানোর পথ প্রশস্ত হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর দাবি, সিজেপির নেতারা পিস বন্ড স্বাক্ষর করে ককরোচ জনতা পার্টির মেরুদণ্ডই ভেঙে দিয়েছেন। ফলে ককরোচ পার্টি ‘ফিনিশ’ হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন প্রাক্তন বিচারপতি।
‘পালিয়ে যাওয়া লোকজনদের মতো ভাবমূর্তি হয়ে গেল ওঁদের’

সংবাদমাধ্যম লাইভ হিন্দুস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ইউটিউব চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু বলেছেন যে ‘যাঁরা পিস বন্ডে (স্বাক্ষর) করেছেন, তাঁদের কেরিয়ার খতম হয়ে গিয়েছে। তাঁদের উপরে সাধারণ মানুষ ভরসা করবেন না। কারণ তাঁদের ভাবমূর্তি এখন পালিয়ে যাওয়া (লোকজনদের) তো হয়ে গিয়েছে।’
‘জেলে পুরে দেওয়া হবে, সেটাও দীর্ঘ সময়ের জন্য’, বললেন প্রাক্তন বিচারপতি
আর কেন ‘পিস বন্ডে’ স্বাক্ষর করে কীভাবে নিজেদের ‘ফিনিশ’ হওয়ার পথ প্রশস্ত করে ফেলেছে ককরোচ জনতা পার্টি, তা ব্যাখ্যা করে ওই সাক্ষাৎকারে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু বলেছেন যে ‘পিস বন্ডের অর্থ কী? এটার অর্থ হল যে আপনি লিখিতভাবে প্রতিজ্ঞা করলেন যে কখনও আন্দোলন করবেন না। কারণ আপনি যদি আন্দোলন করেন, তাহলে পুলিশ বলবে যে আপনি শান্তি ভঙ্গ করছেন, আপনি পিস বন্ড লঙ্ঘন করছেন এবং আপনাকে জেলে পুরে দেওয়া হবে। আর সেটাও দীর্ঘ সময়ের জন্য।’
ককরোচ জনতা পার্টি ‘পুরোপুরি খতম হয়ে গেল- ফিনিশ’
{{/usCountry}}ককরোচ জনতা পার্টি ‘পুরোপুরি খতম হয়ে গেল- ফিনিশ’
{{/usCountry}}সেইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বলেন, ‘এতদিন তো এক সপ্তাহের জন্য (জেলে ছিলেন) সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। এবার কয়েক মাসের জন্য (জেলে যাবেন)। ওঁরা জেলে যেতে ভয় পান। সুতরাং সিজেপি পুরোপুরি খতম হয়ে গেল- ফিনিশ। ওদের মেরুদণ্ড ভেঙে গিয়েছে। পিস বন্ড স্বাক্ষর করার সঙ্গে-সঙ্গেই খতম হয়ে গিয়েছে (সিজেপি)।’
আরও পড়ুন: Omar Abdullah: ওমর আবদুল্লার সরকারে বিদ্রোহের শঙ্কা! ২৫ বিধায়কের ক্ষোভে বিপাকে ন্যাশনাল কনফারেন্স
যে ককরোচ পার্টির নেতা সৌরভ এবং আশুতোষকে গত ১৩ অক্টোবর পাকড়াও করেছিল পুলিশ। অভিযোগ উঠেছিল যে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরের ভিতরে চলে গিয়েছিলেন। তারপর ১৪ অক্টোবর পাঁচদিন তাঁদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। ১৯ অক্টোবর আদালতে পেশ করতে বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও দু'দিন বাড়়ানো হয়। তারপর অবশ্য জামিন পেয়ে যান।