SC on CJP Protest Urgent Hearing: 'আরশোলা'-দের উপরে পুলিশি পদক্ষেপের বিরুদ্ধে যে দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হয়েছিল, তা খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার শীর্ষ আদালতে এক আইনজীবী আর্জি জানান যে ককরোচ জনতা পার্টির (আরশোলা বলছেন অনেকে) বিক্ষোভকারীদের উপরে পুলিশি ‘বর্বরতার’ ভিডিয়ো আছে। যদিও তা দেখতে রাজি হয়নি ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। শীর্ষ আদালত পরিষ্কার বলে দেয় যে সুপ্রিম কোর্টের যেন সময় নষ্ট না করা হয়।
'পাশবিক পদক্ষেপ করছে পুলিশ', সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল আইনজীবীর

আর সুপ্রিম কোর্ট সেই মন্তব্য করেছে দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিকে উপাধ্যায়ও দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দেওয়ার পরদিনই। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের কার্যক্রম শুরুর হওয়ার সময় ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চের কাছে ওই আইনজীবী বলেন, ‘যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ চলছে। পাশবিক পদক্ষেপ করছে পুলিশ।’ সেই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবারই যাতে ওই মামলার শুনানি করা হয়, সেই আর্জি জানান আইনজীবী।
'আমরা ভিডিয়ো দেখতে চাই না', বলল সুপ্রিম কোর্ট
যদিও ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ (বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনাও আছেন ওই বেঞ্চে) বলেছে, ‘না, না, আগামিকাল আমাদের সময় নেই। আমাদের সময় নেই। আমরা ভিডিয়ো দেখতে চাই না। আমাদের সময় নষ্ট করবেন না এবং আপনার সময় নষ্ট করবেন না।’
CJP-র সংসদ অভিযান ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি
{{/usCountry}}CJP-র সংসদ অভিযান ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি
{{/usCountry}}এমনিতে সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা তথা নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, পরীক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার এবং পড়ুয়াদের আত্মহত্যার ঘটনার দায়ভার স্বীকারের দাবি তুলে কয়েক সপ্তাহ ধরেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সোমবার বাদল অধিবেশনের মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। তা নিয়ে উত্তাল হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। পুলিশের বিরুদ্ধে বর্বরতার অভিযোগ তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। পালটা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়, আহত হয়েছেন একাধিক অফিসার।
তারইমধ্যে আজও যন্তর মন্তরে ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। রাতভর আরও বেশি সংখ্যক আন্দোলনকারী সেখানে আছেন। খাবার ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে এসেছেন ভলান্টিয়াররা এবং আন্দোলনের সমর্থনকারীরা। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা দানিয়েছেন, যতদিন না কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ইস্তফা দিচ্ছেন, ততদিন আন্দোলন চলবে।