Samik on Mamata's CJP Protest Message: ‘সিংহী’ কিনা ‘আরশোলার’ কাছে যাবে? মমতাকে ‘প্যারাসাইট’ বলে চরম কটাক্ষ শমীকের
Samik on Mamata's CJP Protest Message: প্রয়োজনে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দেবেন বলে বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে।
Samik on Mamata's CJP Protest Message: প্রয়োজনে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনেও যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস (কালীঘাট) সুপ্রিমোকে চরম কটাক্ষ করলেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মমতাকে খোঁচা দিয়ে প্রশ্ন করলেন যে শেষে কিনা ‘সিংহী’ যাচ্ছেন ‘আরশোলাদের’ কাছে। বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবি এবং ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পরে দুর্দশা এমনই হয়ে গিয়েছে যে ‘পরজীবী’ হয়ে থাকতে হচ্ছে বলে কটাক্ষ করেছেন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি।

'এই তো ৩ মাস আগে মোদী সরকারের উৎখাতের কথা বলছিলেন'
সংবাদসংস্থা এএনআইয়ে রাজ্যসভার সাংসদ বলেন, ‘আমরা কখনও শুনিনি যে সিংহী আরশোলার (ককরোচ পার্টি) কাছে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেকে সিংহী বলতেন। এত খারাপ অবস্থা হয়ে গেল যে (সেই সিংহীকে) আরশোলার কাছে যেতে হচ্ছে?'
সেইসঙ্গে বঙ্গ বিজেপির সভাপতি বলেন, 'তিন মাস আগেই যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্র থেকে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে উৎখাত করে দিতে যাচ্ছিলেন, যিনি মোদীজিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ছিলেন, তাঁকে এখন ককরোচ পার্টির পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছেন। উনি এখন পরজীবী (প্যারাসাইট) হয়ে গিয়েছেন। বাংলার জন্য এটা লজ্জাজনক।’
‘ককরোচ জনতা পার্টির প্রতি সমর্থন ছিল ও থাকবে’, দাবি মমতার
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে মমতার ভাষণের পরে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দরকার হলে ককরোচদের প্রোগ্রামো আমি নিজেও যাব। কারণ আমাদের সমর্থন প্রথম থেকেই ছিল, আছে এবং থাকবে। আর সবাই মিলে আমরা যদি রাস্তায় নামি, আপনারা জেনে রাখুন (তাহলে সব বিজেপি নেতাকে পালাতে হবে)।’
মমতার মতো অনেক রাজনীতিবিদই পাশে দাঁড়িয়েছেন CJP-র
এমনিতে তবে শুধু মমতা নন, ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে মুখ খুলেছে একাধিক বিরোধী দল। সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার (নিট) বারবার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ একাধিক দাবিতে সোমবার দিল্লিতে যে মিছিল হয়, সেখানে পুলিশি হামলার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাসভবনের কাছেই ধরনায় বসেন রাহুল গান্ধী। সঙ্গে আছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেরা। কংগ্রেসের দাবি, পুলিশ যে হামলা চালিয়েছে, তা নিয়ে দায় স্বীকার করতে হবে মোদী সরকারকে। বিবৃতি দিতে হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


