CJP withdraws protest: ৩৬ দিনের ‘যুদ্ধে জয় আরশোলাদের’, সরকার দাবি মেনে নেওয়ায় তোলা হল ককরোচদের আন্দোলন
CJP withdraws protest: কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে বৈঠকের পরে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিল। যন্তর মন্তরে যে ধরনা চলছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে, কারণ কেন্দ্রীয় সরকার সব দাবি মেনে নিচ্ছে।
CJP withdraws protest: জন্ম হয়েছিল ১৬ মে। রাস্তায় নেমে আন্দোলন পা দিয়েছে ৩৬ তম দিনে। আর সেইদিনেই কেন্দ্রীয় সরকার তাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে বলে জানাল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সেই রেশ ধরে শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পরে ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান মুখপাত্র সৌরভ দাস ঘোষণা করলেন যে তাঁরা দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। তাঁর কথায়, ‘উভয়পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সম্মত শর্তাবলী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই বাস্তবায়িত করা হবে বলে আশা করে ককরোচ জনতা পার্টির তরফে ঘোষণা করা হচ্ছে যে আমরা আন্তরিকতার সঙ্গে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে।’
বৈঠকের আগেই ১টি দাবি মেনে নেওয়া হয়
আর ‘আরশোলা’-দের তিনটি দাবির মধ্যে ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা, আত্মহত্যা করা নিট পরীক্ষার্থীদের পরিবারকে এক কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা। শনিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকের আগেই সিজেপির একটি দাবি মেনে নেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
নড্ডা কী বললেন বৈঠক নিয়ে?
আর সেই বৈঠকের পরে বাকি দুটি দাবিও মেনে নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী নড্ডা বলেন, ‘আজ আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। তাঁরা একটি লিখিত খসড়া নিয়ে এসেছিলেন, যাতে আন্দোলন চলাকালীন দায়ের হওয়া মামলাগুলি নিয়ে চারটি বিষয় উল্লেখ ছিল। পাশাপাশি, আমরা অন্য দুটি দাবি নিয়েও আলোচনা করেছি- কোনও শাস্তিমূলক বা প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না, আর্থিক সহায়তা দিতে হবে এবং তাঁদের পাঁচ দফা দাবি বিবেচনা করতে হবে।'
কোনও পদক্ষেপ নয়, আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে, দাবি নড্ডার
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, '(প্রথমত,) আমরা তাঁদের এফআইআরের প্রতিলিপি সরবরাহ করব এবং এ বিষয়ে কোনও (শাস্তিমূলক) পদক্ষেপ করা হবে না। দ্বিতীয়ত, আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে আমরাও এ ব্যাপারে সহানুভূতিশীল। আমরা সবাই বলেছি যে নিয়ম-কানুন মেনেই আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে এবং সর্বোচ্চ যতটা সম্ভব, ততটাই তাঁদের প্রদান করা হবে।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


