Teacher sends ‘Obscene Messages: 'আমার ঘরে...,' ছাত্রীকে ক্রমাগত 'অশ্লীল মেসেজ', শিক্ষকের 'কীর্তি'তে মাথা হেঁট কলেজের
Teacher sends ‘Obscene Messages’ to Student: অভিযুক্ত শিক্ষক অমিত সাহু (৩০) ওই কলেজে গত এক বছর ধরে ভূগোল পড়াচ্ছেন। তিনি সাগর জেলার বাসিন্দা।
Teacher sends ‘Obscene Messages’ to Student: শিক্ষকের কু-কীর্তিতে মুখ পুড়ল গোটা কলেজের। মধ্যপ্রদেশের রেওয়াতে পিএম শ্রী কলেজের (মডেল সায়েন্স কলেজ) এক ছাত্রীকে অশ্লীল মেসেজ পাঠিয়ে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই প্রতিবাদে ছাত্রছাত্রীদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে কলেজ চত্বর। এরপরেই ওই ছাত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করে এবং পরে ওই শিক্ষককে সাসপেন্ড করা হয়। কিন্তু তারপরেও উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ওই শিক্ষক নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন।

জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক অমিত সাহু (৩০) ওই কলেজে গত এক বছর ধরে ভূগোল পড়াচ্ছেন। তিনি সাগর জেলার বাসিন্দা। অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন ধরে কলেজেরই বিএ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ক্লাস চলাকালীন উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করছিলেন এবং গত এক মাস ধরে তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে বারবার আপত্তিকর মেসেজ পাঠাচ্ছিলেন। মেসেজে লেখা ছিল, 'আমি তোমাকে খুব পছন্দ, আমার ঘরে এসো।' এই কথায় ছাত্রীটি রাজি না হলে, ওই শিক্ষক তাঁকে পরোক্ষভাবে হুমকি দেওয়ারও চেষ্টা করেন। তিনি লেখেন, 'আমি চাই না তুমি কোনও সমস্যায় পড়ো, ভেবে দেখো... যদি তোমার ইচ্ছে হয়, আমাকে জানিও।' এরপরেই ভয় পেয়ে ওই ছাত্রী তৎক্ষণাৎ তাঁর পরিবার ও বন্ধুদের বিষয়টি জানান। পাশাপাশি প্রমাণ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট জমা দিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।
এই ঘটনা জানাজানি হতেই অভিযুক্ত অমিত সাহু ফের ওই ছাত্রীকে হুমকি দেন। তিনি বলেন, 'তুমি আমার বিশ্বাস ভেঙেছ। কাউকে কিছু বলো না এবং সব মেসেজ ডিলিট করে দাও, নইলে তোমার জন্য ভালো হবে না।' এরপরেই বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৪ এপ্রিল একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। অভিযোগকারী ও অন্যান্য ছাত্রছাত্রীরা সেই কমিটির সামনে তাদের বক্তব্য পেশ করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অমিত সাহু নিজের ভুল স্বীকার করেন এবং আশ্বাস দেন যে এমন ঘটনা আর ঘটবে না। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের বিষয়টি গোপন রাখতে বলে এবং জানায় যে তদন্ত শেষ হতেই পদক্ষেপ করা হবে। কিন্তু বুধবার পর্যন্ত ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ায় ছাত্রছাত্রীরা কলেজে চত্বরে বিক্ষোভ দেখতে শুরু করে। এরপর ওই শিক্ষককে কলেজ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
E-Paper

