...
...
Next Story

Competitive Exams Success Story: ১২ বছরে মায়ের মৃত্যু, তাঁর শেষ স্বপ্নপূরণে চতুর্থবারে PSC ক্র্যাক, SDM হলেন অঙ্কিতা

Competitive Exams Success Story: ১২ বছরে মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর শেষ স্বপ্নপূরণে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষা দেন অঙ্কিতা। চতুর্থ অ্যাটেম্পটে করেন বাজিমাত। আর সেই অঙ্কিতা এবার সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) হয়েছেন।

Published on: Jul 7, 2026, 19:01:26 IST
Advertisement

Competitive Exams Success Story: ইচ্ছাশক্তি আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যম যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিকে জয় করা সম্ভব - সেই বিষয়টা প্রমাণ করে দিলেন বিহারের ছাপরার মেয়ে অঙ্কিতা কুমারী। বিহার পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় ২৭২ তম স্থান অর্জন করে সাব-ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট (SDM) হয়েছেন। মাত্র ১২ বছরে মা'কে হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু মায়ের একটি কথা সবসময় তাঁর মনে গেঁথে ছিল - ‘তোমায় বড় হয়ে একজন বড় সরকারি অফিসার হতে হবে।’ মায়ের সেই শেষ ইচ্ছাকে নিজের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য বানিয়ে নেন অঙ্কিতা। প্রাথমিকভাবে সাফল্য মেলেনি। কিন্তু পরপর তিনবার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ধাক্কা মুছে সাফল্য লাভ করেছেন।

পড়াশোনায় বরাবরই ভালো অঙ্কিতা

অঙ্কিতা কুমারী। (ছবি সৌজন্যে, ইনস্টাগ্রাম ankita12__rai)
অঙ্কিতা কুমারী। (ছবি সৌজন্যে, ইনস্টাগ্রাম ankita12__rai)

অঙ্কিতা তাঁর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেন ছাপরার সরস্বতী শিশু বিদ্যামন্দির থেকে। পড়াশোনায় বরাবরই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। এরপর রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি পাটনায় আসেন এবং পাটনা উইমেনস কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিকার করেন প্রথম স্থান। এরপর তিনি পাটনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

আরও পড়ুন: UPSC Civil Services Mains Tips: চাকরির পরীক্ষায় ১৩ বার ‘ফেল’ করেও IAS অফিসার, UPSC মেনসের জন্য দিলেন ৫ টিপস

UGC NET কোয়ালিফাই করেন ৩ বার

সিভিল সার্ভিসের মূল প্রস্তুতি শুরু করার আগেই অঙ্কিতা নিজের মেধার পরিচয় দিয়ে ফেলেছিলেন। পরপর তিনবার ইউজিসি নেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। নেট কোয়ালিফাই করার পরে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বা অধ্যাপনার ক্ষেত্রে তাঁর সামনে চমৎকার কেরিয়ার গড়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও সেদিকে পা বাড়াননি। কারণ তাঁর চোখ ছিল মায়ের দেখা সেই স্বপ্নের দিকে। আর সেই লক্ষ্যেই ২০২২ সাল থেকে তিনি পুরোদমে বিপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন।

তবে শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি অঙ্কিতার। প্রথম তিনটি অ্যাটেম্পটে কাঙ্খিত সাফল্য পাননি। তবে হাারও মানেননি। চতুর্থ অ্যাটেম্পটের জন্য নতুন রণকৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন। বিগত তিনটি পরীক্ষার ভুলত্রুটিগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে দুর্বল জায়গাগুলোতে বাড়তি জোর দিয়েছিল। দিন-রাত এক করে কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত মকটেস্ট এবং ধৈর্যশীল অধ্যাবসায়ের পর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। ৭০ তম BPSC পরীক্ষায় ২৭২ তম স্থান অধিকার করেন।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe