পাক্কা ২৪ দিন পরেই ভোটগ্রহণ। প্রচারের জন্য হাতে আছে আরও কম সময়। মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য পড়ে আছে মাত্র আটদিন। সেই পরিস্থিতিতে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করল কংগ্রেস। আর তারপর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে যে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে কি আদৌও গুরুত্ব দিচ্ছে হাত শিবির? নাকি স্রেফ লড়তে হবে বলে প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করা হল? অথচ প্রাথমিকভাবে যখন কংগ্রেসের তরফে ঘোষণা করেছিল যে ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়বে, তখন মনে হয়েছিল যে এবার আটঘাঁট বেঁধেই নামতে চলেছে। তবে শেষপর্যন্ত কংগ্রেস কতটা আটঘাঁট বেঁধে নেমেছে, এত দেরিতে প্রার্থীতালিকা ঘোষণার মধ্যে বিশেষ কোনও স্ট্র্যাটেজি কিনা, সেটার উত্তর মিলবে আগামী ৪ মে।
হেভিওয়েট প্রার্থী হলেন কারা?

আপাতত কংগ্রেসের তরফে ২৮৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। বহরমপুরে দাঁড়াচ্ছেন অধীর চৌধুরী। মালতীপুরে টিকিট পেয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ মৌসম বেনজির নূর। খড়্গপুর সদর থেকে বিজেপির দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন পাপিয়া চক্রবর্তী। ভবানীপুর থেকে তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে টিকিট দেওয়া হয়েছে। আবার বালি বিধানসভা থেকে টিকিট পেয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী।
কংগ্রেসের ২৮৪টি আসনে প্রার্থী হলেন কারা?
প্রথম দফার ভোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১) গেজেট নোটিফিকেশন জারি: ৩০ মার্চ (সোমবার)।
২) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৬ এপ্রিল (সোমবার)।
৩) মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার)।
৪) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
৫) ভোটগ্রহণের তারিখ: ২৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
দ্বিতীয় দফার ভোট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
১) গেজেট নোটিফিকেশন জারি: ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
{{/usCountry}}১) গেজেট নোটিফিকেশন জারি: ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
{{/usCountry}}২) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ: ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)।
৩) মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১০ এপ্রিল (শুক্রবার)।
৪) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ: ১৩ এপ্রিল (সোমবার)।
৫) ভোটগ্রহণের তারিখ: ২৯ এপ্রিল (বুধবার)।
৬) ভোটগণনা: ৪ মে (সোমবার)।
৭) ৬ মে'র আগে নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।
আরও পড়ুন: বেরোনোর আগে সাবধান! এপ্রিলেই পুরুলিয়া-বাঁকুড়ার পারদ চড়বে ৪০ ডিগ্রি, পুড়বে কলকাতা?