Women's Quota Bill 2026 Update: ‘নরেন্দ্র-অমিতের শেষের শুরু’, আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণে সমর্থন মিলল না লোকসভায়
Women's Quota Bill 2026 Update: লোকসভার 'নম্বর গেমে' হেরে গেল নরেন্দ্র মোদী সরকার। লোকসভার আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধানের যে ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছিল সরকার, তা ভোটাভুটির বাধা অতিক্রম করতে পারল না।
Women's Quota Bill 2026 Update: লোকসভার 'নম্বর গেমে' হেরে গেল নরেন্দ্র মোদী সরকার। লোকসভার আসন বাড়িয়ে মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধানের যে ১৩১ তম সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করেছিল সরকার, তা ভোটাভুটির বাধা অতিক্রম করতে পারল না। শুক্রবার সংসদের বিশেষ অধিবেশনে যে ভোটাভুটি হয়,, তাতে সংবিধান সংশোধনী বিলের পক্ষে ২৯৮টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে ভোট পড়ে ২৩০টি। বিলের স্বপক্ষে বেশি ভোট পড়লেও নিয়ম মোতাবেক সংবিধান সংশোধনী বিলের ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা না হওয়ায় আটকে গেল বিল।

‘নরেন্দ্র-অমিতের শেষের শুরু’
আর সরকারিভাবে লোকসভার স্পিকার সেই ঘোষণার পরে হাততালি ফেটে পড়েন বিরোধী সাংসদরা। টেবিল চাপড়াতে থাকেন তাঁরা। সেই আনন্দের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়ানের মধ্যেও। তিনি বলেন, 'এটা নরেন্দ্র (প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী) এবং অমিতের (কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ) শেষের শুরু।' আবার কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, ‘আমরা সংবিধানের উপরে হওয়া এই আক্রমণকে পরাজিত করে দিয়েছি। আমরা স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি যে এটা মহিলা সংরক্ষণ বিল নয়। বরং এটা ভারতের রাজনৈতিক কাঠামোকে পরিবর্তনের একটা উপায়।’
সংবিধান সংশোধনী বিল ও মহিলা সংরক্ষণ বিল
বৃহস্পতিবার লোকসভায় সংবিধানের ১৩১ তম সংশোধনী বিল পেশ করা হয়। যে বিলের আওতায় লোকসভার মোট আসন ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ পর্যন্ত করার প্রস্তাব আছে। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই মহিলা সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার জন্য সেই সংবিধান সংশোধনী আনা হয়েছিল। যে আইনের আওতায় আইনসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ করা হত।
আরও পড়ুন: Kerala News: রেস্তোরাঁর কার্ডে শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে মাংসের পদ, কেরলমে গ্রেফতার মালিক
মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে মোদী কী বলেন?
এমনিতে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘দেখুন, এটার (মহিলা সংরক্ষণ বিল) বিরোধিতা করলে স্বাভাবিক ব্যাপার যে আমার রাজনৈতিক লাভ হবে। কিন্তু একসঙ্গে চললে কারও (রাজনৈতিক লাভ) হবে না। এটা লিখে রাখুন। কারণ আলাদা একটা ব্যাপার হবে।'
তিনি বলেন, 'কারও আলাদা করে ফায়দা হবে না। আমাদের ক্রেডিট চাই না। যেই এই বিল পাশ হয়ে যাবে, আমি কালই বিজ্ঞাপন দিয়ে সকলকে ধন্যবাদ জানাতে তৈরি আমি। সকলের ছবি ছাপিয়ে দেব। ক্রেডিট আপনারা নিয়ে নিন। ক্রেডিট নিয়ে চিন্তা করছেন? নিয়ে নিন ক্রেডিট। যাঁর ছবি ছাপাতে চান, সরকারি খরচে সেটা ছাপিয়ে দেব। সামনে দাঁড়িয়ে ক্রেডিটের ব্ল্যাঙ্কচেক দিয়ে দিলাম।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


