CPIM Leader on China Aid: নেপালে ত্রাণ দেওয়ায় চিনকে বাহবা বাংলার CPIM নেতার, নেটপাড়া বলল ‘ভারতের সহায়তা চোখে পড়ল না?’
CPIM Leader on China Aid: নেপালে হড়পা বানের পরে লাগাতার ত্রাণসামগ্রী পাঠাচ্ছে ভারত। তারইমধ্যে সহায়তা করেছে চিন। আর চিনের প্রশংসা করে নেটিজেনদের একাংশের রোষের মুখে পড়লেন সিপিআইএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র।
CPIM Leader on China Aid: নেপালের বিপর্যয়ের পরে দ্রুত সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। একাধিকবার ভারতীয় বায়ুসেনার পণ্যবাহী বিমানে করে পাঠিয়েছে ত্রাণসামগ্রী। এখনও সেই কাজ চলছে। উদ্ধারকাজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য পাঠিয়েছে বিশেষজ্ঞ দল। চিনের তরফেও ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। যে দেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে হড়পা বানের সময় নেপালকে পর্যাপ্ত তথ্য দেয়নি। আগেভাগে সতর্ক করেনি চিন। এমনকী হিমবাহ বা জলস্তর নিয়েও নেপালকে চিনের তরফে পর্যাপ্ত তথ্য দেওয়া হয় না বলে অভিযোগ উঠেছে। আর নেপালে ত্রাণ পাঠানোর জন্য সেই চিনের প্রশংসা করলেন সিপিআইএম নেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। যা নিয়ে চূড়ান্ত রোষের মুখে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী।

আসলে বুধবার চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র লিন জিয়ান সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেন, ‘ভূমিধসের পরিপ্রেক্ষিতে চিন নেপালে জরুরি সহায়তা পাঠিয়েছে। যে তালিকায় আছে চিনা সরকারের তরফে দেওয়া ২০ লাখ ডলরারের নগদ সহায়তা; চিনের রেড ক্রস সোসাইটির তরফে দেওয়া ২ লাখ ডলারের সহায়তা; ৫৫.৮ টন ত্রাণসামগ্রী, বিপর্যস্ত এলাকার ছবি, উপগ্রহ-ভিত্তিক তথ্য ও জলবিজ্ঞান-সংক্রান্ত তথ্য; চিনের টানেল উদ্ধারকারী বিশেষজ্ঞের দুটি দল এবং ডিএনএ শনাক্তকরণ বিশেষজ্ঞের পাঁচ সদস্যের একটি দল। এই কঠিন সময়ে চিন তার নেপালি বন্ধুদের পাশে রয়েছে।’
এটাকেই সংহতি বলে, পোস্ট সূর্যকান্ত মিশ্রের, পড়লেন রোষে
আর সেই পোস্টের প্রেক্ষিতে সিপিআইএম নেতা বলেন, ‘সংহতি বলতে আমরা এটাই বুঝি।’ যে মন্তব্যে চটেছেন নেটিজেনদের একাংশ। এক নেটিজেন বলেছেন, ‘অবিশ্বাস্য... নির্লজ্জভাবে নিজেকে চিনের হাতের পুতুল হিসেবে তুলে ধরছেন... অন্তত ভারতীয় হওয়ার ভান তো করতে পারতেন।’ একইসুরে অপর একজন বলেন, ‘ভারতে চিনের অনেক মুখপাত্র আছেন। তাঁদের মধ্যে উনি একজন।’
ভারতের ‘অবদানকে খাটো করা আপনাদের রক্তেই মিশে’
অপর এক নেটিজেন বলেন, ‘ঠিক এই কারণেই আপনারা আর কখনওই ভোটে জিতে ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না। অন্য দেশের প্রশংসা করতে গিয়ে আপনারা ভারতীয় সবকিছুকেই ঘৃণা করেন। যদি আপনারা ভারতের অবদানের কথাও উল্লেখ করতেন, তবে আমি হয়তো বিষয়টি এড়িয়ে যেতাম। কিন্তু আমাদের মাতৃভূমির অবদানকে ইচ্ছাকৃতভাবে খাটো করা বা উপেক্ষা করাটা আপনাদের (সিপিআইএম) রক্তেই মিশে আছে।’
'তখন আপনাদের চোখে গেল না?’'
একজন আবার বলেছেন, ‘আপনার টাইমলাইনে এমন দুটি পোস্ট রয়েছে, যেখানে আপনি নেপালে চিনের ত্রাণ পাঠানো নিয়ে প্রশংসা করেছেন, কিন্তু ভারতের পাঠানো নিয়ে কোনও পোস্ট নেই। এমনটা কেন, কমরেড?’ একইসুরে অপর একজন বলেছেন, ‘ভারত এত সহায়তা, উদ্ধারকারী টিম পাঠাল, তখন আপনাদের চোখে গেল না?’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


