Dabur Banned Products List: বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার জন্য ডাবরের কমপক্ষে সাতটি সামগ্রী নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল। ভারতের খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার (FSSAI) তরফে জানানো হয়েছে, নিজেদের বিভিন্ন পণ্যে '১০০ শতাংশ' যে দাবি করেছে ডাবর, সেটার জন্য শাস্তির কোপে পড়তে হয়েছে। ওইসব পণ্যের গায়ে যে লেবেল থাকে, তার কোনওটায় দাবি করা হয়েছে যে ‘১০০ শতাংশ প্রাকৃতিক’। কোনওটায় আবার বলা হয়েছে '১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ', '১০০ শতাংশ জৈবিক'। এই ধরনের লেবেলিং আইনের পরিপন্থী এবং তা ভুয়ো বিজ্ঞাপনের শামিল।
কোন কোন পণ্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে?
১) মধু
২) অ্যাপল সিডার ভিনিগার
৩) ভার্জিন নারকেল তেল
৪) তিলের তেল
৫) গরুর ঘি
৬) ডাবের জল
৭) নারকেলের দুধ
‘১০০ শতাংশ’ দাবি করেই পড়ল বিপদের মুখে
খাদ্য নিয়ামক সংস্থার মতে, ‘১০০ শতাংশ ন্যাচারাল’, ‘১০০ শতাংশ পিওর (বিশুদ্ধ)’, ‘১০০ শতাংশ পিওরিটি গ্যারান্টিড’ কিংবা ‘১০০ শতাংশ অর্গানিক’-র মতো শব্দবন্ধ অত্যন্ত অস্পষ্ট এবং সাধারণ ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়। বিজ্ঞানের নিরিখে এই ধরনের ১০০ শতাংশের দাবি সহজেই যাচাই করা সম্ভব নয়। ২০১৮ সালের ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (অ্যাডভার্টাইজিং অ্যান্ড ক্লেমস) রেগুলেশনস অনুযায়ী, বাজারে বিক্রি হওয়া খাদ্যপণ্যে কোনওভাবেই এই ধরনের বিভ্রান্তিকর দাবি করা নিষিদ্ধ।
অনুমতি ছাড়াই জৈবিক লোগো ব্যবহারও করা হয়েছিল
বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে খাদ্য নিয়ামক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, 'ডাবর হিমালয়ান অর্গানিক অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার' এবং 'ডাবর অর্গানিক হানি'-র গায়ে জৈবিক ভারত লোগো ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী অর্গানিক খাবারের যে বৈধ অনুমোদন ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার থেকে নিতে হয়, ডাবরের কাছে সেই সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথিপত্র ছিল না।
{{/usCountry}}বিষয়টি আরও ব্যাখ্যা করে খাদ্য নিয়ামক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, 'ডাবর হিমালয়ান অর্গানিক অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার' এবং 'ডাবর অর্গানিক হানি'-র গায়ে জৈবিক ভারত লোগো ব্যবহার করা হচ্ছিল। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী অর্গানিক খাবারের যে বৈধ অনুমোদন ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার থেকে নিতে হয়, ডাবরের কাছে সেই সংক্রান্ত কোনও বৈধ নথিপত্র ছিল না।
{{/usCountry}}তবে এই পদক্ষেপ হঠাৎ করে করা হয়নি। খাদ্য নিয়ামক সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও ডাবর ইন্ডিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছিল এবং এই ধরনের ১০০ শতাংশ দাবি করা প্রচার বন্ধ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সংস্থার পক্ষ থেকে কোনও সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বাধ্য হয়েই এবার কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
ডাবরকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে একটি 'অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট' জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ওয়েবসাইট ও সমস্ত সামাজিক মাধ্যম থেকে এই ধরনের বিজ্ঞাপন ও লেবেল অবিলম্বে সরানোর কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ডাবরের তরফে কী বলা হল?
এই নোটিশ পাওয়ার পর ডাবর ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি জারি করা হয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘আমরা এফএসএসএআইয়ের নোটিশ পেয়েছি। আমাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যে সমস্ত পণ্যের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’