Pakistan Army denies LeT Terrorist Death: কাশ্মীরে লস্কর-ই-তৈবার জঙ্গিকে খতম করে দিয়েছে ভারতীয় সুরক্ষা বাহিনী। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, মহম্মদ আসিফ ওরফে হাশিম মুসা পাকিস্তানি সেনার এলিট স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপের (এসএসজি) হাবিলদার ছিল। এমনকী পাকিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি পারভেজ মুশারফের নিরাপত্তার দায়িত্বেও ছিল। আর তারপর তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক করে পাকিস্তানি সেনার তরফে দাবি করা হল, যে ব্যক্তির কথা বলা হচ্ছে, তার নাকি মৃত্যু হয়নি। একজনকে ‘পাশে বসিয়ে’ পাকিস্তানি সেনার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী দাবি করেন, এই লোকটাকেই ভারত বলছে যে নিকেশ করা হয়েছে।
কাশ্মীরে সেনা ও সুরক্ষা বাহিনীর যৌথ অভিযানে খতম মুসা

পাকিস্তানি সেনার সেই দাবি নিয়ে আপাতত ভারত কোনও মন্তব্য করেনি। তবে বুধবার ভারতীয় আধিকারিকরা জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে বদগাম কোরাগের উঁচু পার্বত্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য সুরক্ষা বাহিনীর যৌথ অভিযানে লস্কর জঙ্গি মুসাকে খতম করা হয়।
ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, মঙ্গলবার ওই এলাকায় সন্দেহভাজন গতিবিধি ধরা পড়েছিল। তারপরই অভিযান শুরু করা হয়। সেইসময় সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। পালটা জবাব দেন ভারতীয় জওয়ানরা। তাতেই খতম হয়ে যায় মুসা। বুধবার ভোরের দিকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়।
সেপ্টেম্বরে ৫ পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করা হল
ভারতের প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০২১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল মুসা। ফৌজি এবং সুলেমান শাহের মতো বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। জম্মু ও কাশ্মীরে লস্করের প্রধান অপারেশনস কমান্ডার ছিল। সেই মুসাকে খতম করার ফলে পাঁচ বছরের মিশনে ইতি পড়ে গেল। তার মৃত্যুর ফলে পাকিস্তানি সেনা এবং ইসলামাবাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন আরও একবার জোরদার ধাক্কা খেল।
{{/usCountry}}ভারতের প্রতিরক্ষা আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২০২১ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছিল মুসা। ফৌজি এবং সুলেমান শাহের মতো বিভিন্ন নাম ব্যবহার করত। জম্মু ও কাশ্মীরে লস্করের প্রধান অপারেশনস কমান্ডার ছিল। সেই মুসাকে খতম করার ফলে পাঁচ বছরের মিশনে ইতি পড়ে গেল। তার মৃত্যুর ফলে পাকিস্তানি সেনা এবং ইসলামাবাদের মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন আরও একবার জোরদার ধাক্কা খেল।
{{/usCountry}}৫ থেকে শুরু, ৩০ তারিখ শেষ- পাক জঙ্গিদের খতম কাহিনী
কারণ সেপ্টেম্বরেই বদগাম, উধমপুর এবং ডোডা জেলায় বিভিন্ন অভিযানে মুসা-সহ পাঁচ পাকিস্তানি জঙ্গিকে খতম করে দেওয়া হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর মুসার সঙ্গী ইয়াসিরকে খতম করা হয়েছিল। তবে সেইসময় পাকিস্তানি সেনার সদস্য পালিয়ে যেতে পেরেছিল। তারপর ১৭ সেপ্টেম্বর জইশ-ই-মহম্মদের দুই জঙ্গি সাদ্দাম এবং মুস্তাফাকে নিকেশ করে দেওয়া হয়েছিল। আবার ১২ সেপ্টেম্বর ডোডা জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল আরও এক জইশ জঙ্গির দেহ। আর মাসের একেবারে শেষে সেই খতম জঙ্গিদের তালিকায় মুসার নামও যুক্ত হয়ে গিয়েছে।