D-Company: ‘ধুরন্ধর’ সাফল্যে ক্ষেপে লাল! মুম্বইয়ে হারানো দাপট ফেরাতে মরিয়া ডি-কোম্পানি : সূত্র

D-Company: এই ছবিতে ‘বড়ে সাহেব’ নামের এক চরিত্রকে মৃত্যুশয্যায় দেখানো হয়েছে, যার সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের চেহারার অদ্ভুত মিল রয়েছে। এই দৃশ্যটিই নাকি দাউদের গ্যাংয়ের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

Published on: Jun 01, 2026 10:02 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

D-Company: রণবীর সিং অভিনীত ব্লকবাস্টার স্পাই থ্রিলার ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পরই যেন শোরগোল পড়ে গিয়েছে আন্ডারওয়ার্ল্ডে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই ছবির একটি বিশেষ চরিত্রকে ঘিরে রীতিমতো ক্ষুব্ধ দাউদ ইব্রাহিমের ‘ডি-কোম্পানি।’ যার জেরে ডি কোম্পানি মুম্বইয়ে তাদের ঝিমিয়ে পড়া স্লিপার সেল ও স্থানীয় নেটওয়ার্ককে রাতারাতি সক্রিয় করে তুলেছে।

মুম্বইয়ে হারানো দাপট ফেরাতে মরিয়া ডি-কোম্পানি (HT Archive) (HT_PRINT)
মুম্বইয়ে হারানো দাপট ফেরাতে মরিয়া ডি-কোম্পানি (HT Archive) (HT_PRINT)

এই ছবিতে ‘বড়ে সাহেব’ নামের এক চরিত্রকে মৃত্যুশয্যায় দেখানো হয়েছে, যার সঙ্গে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের চেহারার অদ্ভুত মিল রয়েছে। এই দৃশ্যটিই নাকি দাউদের গ্যাংয়ের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ‘বড়ে সাহেব’-এর মৃত্যুমুখী অবস্থার দৃশ্যটি দেখে দাউদের গ্যাং চাইছে না যে সাধারণ মানুষ তাদের নেতাকে মৃত বা দুর্বল বলে মনে করুক। দাউদ যে এখনও বেঁচে আছে এবং বহাল তবিয়তে অপরাধ সাম্রাজ্য চালাচ্ছে, তা আমজনতার কাছে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ডি-কোম্পানি। আর সেই কারণেই তড়িঘড়ি নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতে চাইছে তারা। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, এই নতুন জঙ্গি ষড়যন্ত্র বা সন্ত্রাসী ছক বাস্তবায়িত করার জন্য দাউদ বাহিনীর কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল নতুন সদস্য রিক্রুট করা বা দলে টানা। নতুন সদস্য জোগাড় করার এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দাউদের ডানহাত ছোটা শাকিলের গ্যাংকে। আর চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার এবং অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেয় পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। পাশাপাশি, ভারতে এই নাশকতার পুরো ব্লু-প্রিন্ট বা সন্ত্রাসী ছক বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় শার্প শুটার মুন্না জিংগাদাকে।

সূত্রের খবর, মুম্বইয়ের রাস্তাঘাট থেকে সুকৌশলে তুলে আনা নিয়োগপ্রাপ্তদের কিন্তু আসল উদ্দেশ্য কী তা জানানোই হয়নি। মুম্বইয়ের বান্দ্রা গরিব নগরে একটি অবৈধ মসজিদ ভাঙার (বুলডোজার অ্যাকশন) ঘটনাকে পুঁজি করে স্থানীয় যুবকদের উসকে দিয়ে নিয়োগ করছিল গ্যাংটি। ধর্মীয় ভাবাবেগে উসকানি দিয়েই তাদের এই অপরাধের অন্ধকার জগতে নামানো হচ্ছিল। সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের এক অভিযানে বড়সড় সন্ত্রাসী ছক ভেস্তে দেওয়ার পরেই এই আইএসআই ও আন্ডারওয়ার্ল্ডের যোগসূত্র সামনে এসেছে। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ভারতে আবারও নিজেদের আধিপত্য ও ত্রাস কায়েম করতে আইএসআই-এর মদতে কোনও বড় ধরনের আত্মঘাতী হামলা অথবা দেশের কোনও প্রভাবশালী ও ক্ষমতাশালী ব্যক্তিত্বকে টার্গেট করার পরিকল্পনা করছিল দাউদ গ্যাং। এই ধরনের নাশকতার ছক বুনে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ভূমিকা বরাবরের মতোই ধারাবাহিক। তবে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তৎপরতায় এবং সময়মতো গ্রেফতারির মাধ্যমে তাদের প্রতিটি পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে।