দিল্লি বিস্ফোরণ তদন্তে NIAর বড় সাফল্য! এবার জালে কে? উমরের কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে হদিশ মিলল আর কার?
তদন্তকারীদের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই ধৃত আমির রশিদ আলির নামে দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হওয়া গাড়িটি রেজস্টার্ড রয়েছে।
দিল্লিতে লালকেল্লায় বিস্ফোরণের পর থেকেই তদন্তকারীদের স্ক্যানারে নাম এসেছিল উমর নবি ঘনিষ্ঠ আমির রশিদ আলির। এবার এনআইএওর জালে ধরা পড়েছে আমির রশিদ। কে এই আমির রশিদ?

তদন্তকারীদের সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই ধৃত আমির রশিদ আলির নামে দিল্লির লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণ হওয়া গাড়িটি রেজস্টার্ড রয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বোরার পোম্পোরার বাসিন্দা আমির রশিদ। অ্যান্টি টেরর এজেন্সি বলছে, অভিযোগ রয়েছে, এই আমিরের সঙ্গকে দিল্লি বিস্ফোরণে সন্দেহভাজন উমরের কোনও ষড়যন্ত্র ছিল। জানা যাচ্ছে আমির দিল্লিতে এসেছিল ওই গাড়িটি কিনতে, যে গাড়িটি দিল্লি বিস্ফোরণে ব্যবহার হয়েছে। উমর নবির কাছ থেকে একটি গাড়িও উদ্ধার হয়েছে। এই গাড়িটি ঘিরে এনআইএ তদন্ত করছে। ৭৩ জন প্রত্যক্ষদর্শী এই গাড়িটি ঘিরে নিজেদের বয়ান রেখেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্য়ে রয়েছেন বহু আহতও। এনআইএ-র সঙ্গে একযোগে ফরিদাবাদ বিস্ফোরক উদ্ধার কাণ্ডে তদন্ত করছে দিল্লি পুলিশ, হরিয়ানা পুলিশ, জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ, উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের নজরে রয়েছেন সেরাজ্যের ২০০ কাশ্মীরি পড়ুয়া।
( Vastu shastra: বাস্তুমতে বাড়িতে পেয়ারা গাছ লাগানো কি শুভ? সংসারে সমৃদ্ধি আনতে রইল টিপস)
( ধৃত ‘ডাক্তার মডিউল’ সন্দেহভাজনরা স্পাইদের কায়দায় ইমেল চালাচালি করত! কী এই ‘ডেড ড্রপ ইমেল’?)
এদিকে, উমর নবির ফোন ঘেঁটে কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে একাধিক তথ্য পুলিশ পেয়েছে বলে খবর। উমরের কনট্যাক্ট লিস্ট থেকে উত্তরপূর্বের ইম্ফলের এক মহিলার তথ্য মিলেছে বলে খবর। নিউজ ১৮-র রিপোর্ট বলছে, জেরার মুখে এওই মহিলা স্বীকার করেছে যে উগ্রপন্থার বীজ বপনের সময় তিনি উমরের যোগাযোগে ছিলেন। সূত্রগুলো জানিয়েছে যে উমর বিভিন্ন রাজ্যে ব্যক্তিদের মৌলবাদী করার জন্য সক্রিয়ভাবে চেষ্টা করছিলেন। তার নজরে বিশেষভাবে ছাত্র, জুনিয়র সহকর্মী এবং দুর্বল যুবকরা অন্তর্ভুক্ত ছিল, তারা জানিয়েছে।
এদিকে, অনন্তনাগের মলগনাগ এলাকা থেকে এক মহিলা চিকিৎসকের নাম উঠে আসছে। তিনি জিএমসি অনন্তনাগে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের কাউন্টার ইন্টালিজেন্স টিম তদন্ত নেমে এই হদিশ পেয়েছে। ওই মহিলার ফোন পুলিশের হেপাজতে রয়েছে বলে খবর। জানা যাচ্ছে, আদিল গ্রেফতার হতেই এই মহিলার নাম উঠে আসে।












