CJP Protest: ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ আদানপ্রদান আরশোলা’দের! নেপথ্যে কোন প্রযুক্তি? তদন্তে দিল্লি পুলিশ

CJP Protest: বিক্ষোভকারীদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট প্রোটোকল ডিভাইস রেকর্ড (আইপিডিআর) পরীক্ষা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখাবয়ব শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।

Published on: Jul 22, 2026, 21:59:42 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

CJP Protest: ইন্টারনেট বন্ধ। তবু আদানপ্রদান হয়েছে মেসেজ। রাজধানীতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদীরা এভাবেই যোগাযোগ রাখছে বলে নজরে এসেছে দিল্লি পুলিশের। কনট প্লেস বা যন্তর মন্তরের মতো জায়গায় নেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার পরও কীভাবে সম্ভব হচ্ছে মেসেজ আদনপ্রদান? জানা যাচ্ছে, এর নেপথ্যে রয়েছে কিছু অ্যাপ। যার সাহায্যে ইন্টারনেট ব্লকিং কিংবা মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতিতেও দিব্যি চ্যাটিং করা যায়। সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই ইউজারদের তথ্য চেয়ে এই ধরনের অ্যাপের পরিষেবা প্রদানকারীদের কাছে চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।

ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ আদানপ্রদান আরশোলা’দের! তদন্তে দিল্লি পুলিশ (Sumit)
ইন্টারনেট ছাড়াই মেসেজ আদানপ্রদান আরশোলা’দের! তদন্তে দিল্লি পুলিশ (Sumit)

দ্য ইকোনোমিক টাইমস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এর আগেও বিশ্বের একাধিক দেশের সরকারবিরোধী আন্দোলনে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের নজির রয়েছে-যার মধ্যে ২০১৯ সালে হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী আন্দোলন ছাড়াও নেপাল, ইরান, উগান্ডা, মাদাগাস্কার, তাইওয়ান এবং মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সময় হওয়া গণবিক্ষোভ অন্যতম। ইন্টারনেট পরিষেবা ছাড়াই শুধু ব্লুটুথের সাহায্যে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন বিক্ষোভকারীরা। সেলুলার নেটওয়ার্ক বা ওয়াই-ফাইয়ের পরিবর্তে ব্যবহার করা হচ্ছে ‘ব্লুটুথ লো এনার্জি’ (বিএলই) মেশ নেটওয়ার্ক। এর মাধ্যমে আশেপাশের ডিভাইসগুলির মধ্যে চেইন বা শৃঙ্খলের মতো বার্তা পৌঁছানো হচ্ছে। এটা এমন এক তারবিহীন প্রযুক্তি, যা প্রায় সব আধুনিক স্মার্টফোনেই থাকে। এমন কিছু কিছু অ্যাপ স্থানীয় ভাবেই সীমাবদ্ধ। আবার বহু অ্যাপ আরও ব্যাপকভাবে পাওয়া যায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, এই ধরনের প্রযুক্তির মাধ্যমে যোগাযোগ করায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির পক্ষে রিয়েল-টাইমে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে কোচিং সেন্টারগুলি বন্ধ থাকায় বহু পড়ুয়া প্রতিবাদের উদ্দেশ্যে যন্তর মন্তরে জড়ো হয়েছিলেন। এদিকে, এই সহিংসতার পেছনে কোনও 'বৃহত্তর চক্রান্ত' রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। পুরো ঘটনার গতিপ্রকৃতি ও প্রযুক্তিগত দিক খতিয়ে দেখতে মাঠে নেমেছে পুলিশের অ্যান্টি-টেরর ইউনিট। তবে আপাতত কোনও নির্দিষ্ট অ্যাপের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া বিক্ষোভকারীদের শনাক্ত করতে কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট প্রোটোকল ডিভাইস রেকর্ড (আইপিডিআর) পরীক্ষা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছে এবং ফেসিয়াল রিকগনিশন বা মুখাবয়ব শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। অন্যান্য রাজ্য থেকেও বহু মানুষ এই মিছিলে যোগ দিতে এসেছিলেন। পুলিশ বর্তমানে তাঁদের আনাগোনার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে। সূত্র মারফত জানা গেছে, প্রাথমিক তদন্তে ইঙ্গিত মিলেছে যে অংশগ্রহণকারীদের একটি বড় অংশই দিল্লির বাইরে থেকে এসেছিলেন। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে এই ধরনের জনসংযোগ বা যাতায়াত নিয়ে আগে থেকে কোনও আগাম তথ্য দিল্লি পুলিশকে দেওয়া হয়নি।