Dharmendra Pradhan Resignation: প্রবল চাপের মুখে ইস্তফা দিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট প্রশ্নফাঁসের জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যখন আন্দোলন চলছে এবং ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) যখন আরও সুর চড়াচ্ছে, সেই আবহে শনিবার দুপুর ২ টো ১৮ মিনিটে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ইস্তফাপত্র পোস্ট করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী জানান, গত ১০ দিন যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে তিনি দুঃখিত। সেই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। তবে শিক্ষা মন্ত্রক থেকে ইস্তফার পরে ওড়িশায় বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ ‘মুখ’-কে অন্য কোনও মন্ত্রকে পাঠানো হবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার কয়েক ঘণ্টা আগেই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী দাবি করেন, ধর্মেন্দ্রকে শিক্ষা থেকে অন্য মন্ত্রকে সরানোর পরিকল্পনা আছে মোদী সরকারের।
আমি দায়ভার এড়িয়ে যায়নি, দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের

যদিও সেই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। মুখ খোলেননি শিক্ষামন্ত্রীও। তিনি শুধু দাবি করেছেন, গত ৩ মে হওয়া সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর থেকে দায়ভার এড়িয়ে যাননি। কখনও পরিস্থিতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেননি। বরং বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে সুচারুভাবে ২১ জুন পুনরায় নিট পরীক্ষা নেওয়া হয়।
পড়ুয়াদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা, দাবি ধর্মেন্দ্র প্রধানের
কিন্তু তারইমধ্যে বিরোধীরা পড়ুয়াদের ভুলপথে চালিত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ তোলেন ধর্মেন্দ্র। তিনি অভিযোগ করেন, '(নতুন করে যে নিট পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল, তাতে সবকিছু ঠিকঠাক হলেও) ছাত্রছাত্রীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দায়িত্ববান পদে আসীন লোকজন বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। যে কারণে আমি অত্যন্ত ব্যথিত।'
আরও পড়ুন: CJP on Dharmendra Pradhan Resignation: ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেই জয়ের হুংকার ‘আরশোলাদের’
কী কারণে ইস্তফা, ব্যাখ্যা ধর্মেন্দ্র প্রধানের?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: CJP on Dharmendra Pradhan Resignation: ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করতেই জয়ের হুংকার ‘আরশোলাদের’
কী কারণে ইস্তফা, ব্যাখ্যা ধর্মেন্দ্র প্রধানের?
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে তিনি বলেন, ‘গত ১০ দিনের ঘটনায় আমি ব্যথিত। এটি আমার কাছে ব্যক্তিগত মর্যাদার কোনও বিষয় নয়। যুবশক্তিই ভারতের প্রকৃত শক্তি। যন্তর মন্তর ও সারাদেশে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি ফায়দা লুটতে না পারে, জাতীয় ঐক্য অটুট থাকে, কোনও ভারতীয় পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ যাতে আইনি জটিলতায় জড়িয়ে না পড়ে এবং আমাদের সন্তানরা যাতে পড়াশোনায় সময় দিয়ে নিজেদের কেরিয়ার গঠনে মনোযোগ দিতে পারে- সেই লক্ষ্যেই আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’