মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকান রেডিয়ো উপস্থাপক মাইকেল স্যাভেজের একটি চিঠি পুনরায় পোস্ট করেছেন, এবং তা নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। সেই চিঠিতে ভারত, চিন এবং অন্যান্য দেশগুলোকে 'নরককুণ্ড' হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে এই চিঠি লিখেছিলেন মাইকেল স্যাভেজ। তবে তাঁর সেই চিঠিতে বর্ণবিদ্বেষ ফুটে উঠেছে। চিঠিতে মাইকেল স্যাভেজ দাবি করেন, ভারত ও চিনের মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে আসে 'নবম মাসে একটি শিশুর জন্ম দিতে'। (আরও পড়ুন: হরমুজে নাক কাটতেই কি নৌবাহিনীর সচিবকে ছেঁটে দিল আমেরিকা?)

এদিকে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব ইস্যুতে গণভোট করানোর দাবি তোলেন মাইকেল স্যাভেজ। তাঁর মতে এই বিষয়টি আদালতের কাছে ছেড়ে দেওয়া উচিত না। এই নিয়ে স্যাভেজ লেখেন, 'এখানে একটি শিশু জন্ম নেওয়ার মুহূর্তেই নাগরিক হয়ে যায়। আর তারপর তারা চিন, ভারত বা পৃথিবীর অন্য কোনও নরককুণ্ড থেকে তাদের পুরো পরিবারকে নিয়ে চলে আসে।' এই চিঠিতে তিনি ভারতীয় এবং চিনা অভিবাসীদের 'ল্যাপটপ হাতে গ্যাংস্টার' বলে আখ্যা দেন। তাঁর অভিযোগ, এই অভিবাসীরা নাকি মার্কিন পতাকায় পা রেখেছে। (আরও পড়ুন: কাশ্মীর-পঞ্জাবে সীমান্তবর্তী এলাকায় মকড্রিল, ব্ল্যাকআউট! ঘুম উড়ল পাকিস্তানের)
ট্রাম্পের পোস্ট করা চিঠিতে লেখা, 'ভারতীয় এবং চিনা অভিবাসীরা আমেরিকার যা ক্ষতি করেছে, তা সব মাফিয়া পরিবার মিলেও করেনি।' স্যাভেজের দাবি, জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নিয়মের জেরে আমেরিকায় নাকি 'জন্ম পর্যটন' বেড়েছে। প্রসঙ্গত, একদিন আগেই ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, বিশ্বে নাকি আমেরিকা ছাড়া আর কোনও দেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব দেয় না। যদিও ট্রাম্পের এই দাবি মিথ্যা। কানাডা, মেক্সিকো সহ বিশ্বের অন্তত ৩৬টি দেশ জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রদান করে থাকে। (আরও পড়ুন: অপারেশন সিঁদুরের মার ভোলেনি পাক, পহেলগাঁও বার্ষিকীতে তাও কাশ্মীর নিয়ে উস্কানি)
এর আগে মসনদে বসেই মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য বড় ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ১বি ভিসার ফি বৃদ্ধি করেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, এইচ১বি ভিসার মাধ্যমে সবথেকে বেশি সংখ্যায় ভারতীয়রাই যান আমেরিকায়। এদিকে আমেরিকায় বহু সংস্থায় বর্তমানে কয়েক লাখ ভারতীয় এইচ১বি ভিসায় কর্মরত আছেন। এদিকে এইচ১বি ভিসা নিয়ে কাজ করতে যাওয়া অনেক ভারতীয়র সন্তানেরই জন্ম হয় আমেরিকায়। এই ইস্যুতে রিপাবলিকানদের চরম বিদ্বেষ রয়েছে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে।
{{/usCountry}}এর আগে মসনদে বসেই মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থা সংস্কারের জন্য বড় ঘোষণা করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এইচ১বি ভিসার ফি বৃদ্ধি করেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, এইচ১বি ভিসার মাধ্যমে সবথেকে বেশি সংখ্যায় ভারতীয়রাই যান আমেরিকায়। এদিকে আমেরিকায় বহু সংস্থায় বর্তমানে কয়েক লাখ ভারতীয় এইচ১বি ভিসায় কর্মরত আছেন। এদিকে এইচ১বি ভিসা নিয়ে কাজ করতে যাওয়া অনেক ভারতীয়র সন্তানেরই জন্ম হয় আমেরিকায়। এই ইস্যুতে রিপাবলিকানদের চরম বিদ্বেষ রয়েছে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে।
{{/usCountry}}