ED arrests I-PAC Director: নয়াদিল্লিতে আইপ্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ডিরেক্টর বিনেশ চান্ডেলকে গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন যে পশ্চিমবঙ্গে কয়লা দুর্নীতি মামলার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থার ডিরেক্টরকে আজ রাতের দিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের (পিএমএলএ) আওতায় গ্রেফতারির পরে আজ রাতেই তাঁকে বিশেষ আদালতে পেশ করা হতে পারে। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি তাঁকে হেফাজতে চাইবে বলে সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে ওই সংবাদসংস্থা।

আর সেই ঘটনা এমন একটা সময় ঘটেছে, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। আর ১০ দিন পরেই বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হবে। তার ঠিক আগে তৃণমূলের রাজনৈতিক উপদেষ্টা সংস্থার ডিরেক্টরকে গ্রেফতারির ঘটনায় রাজনৈতিক পারদ যে আরও চড়বে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই সংশ্লিষ্ট মহলের।
‘বিরোধী দলের হয়ে কাজ করলে আপনার পালা’, তোপ অভিষেকের
ইতিমধ্যে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, ‘পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিনেশ চান্ডেলের গ্রেফতারি শুধু উদ্বেগজনকই নয়, বরং সকলের জন্য সমান সুযোগের ধারণাকেই নাড়িয়ে দেয়। যে সময়ে পশ্চিমবঙ্গের অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়া উচিত, সেই সময়ে এই ধরনের পদক্ষেপ একটি ভীতিকর বার্তা দেয়: যদি আপনি বিরোধী দলের সঙ্গে কাজ করেন, তবে আপনার পালাও আসতে পারে। এটা গণতন্ত্র নয়—এটা ভীতি প্রদর্শন!’
ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে, নিশানা অভিষেকের
{{/usCountry}}ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে, নিশানা অভিষেকের
{{/usCountry}}সেই রেশ ধরে অভিষেক অভিযোগ করেন, ‘যাঁরা গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত, তাঁরা দল পরিবর্তন করার মুহূর্তেই সুরক্ষা পেয়ে যান, অন্যদিকে অন্যদের রাজনৈতিকভাবে সুবিধাজনক মুহূর্তে দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। মানুষ এখন আর এই বিষয়ে অন্ধ নয়। যখন গণতন্ত্র রক্ষার জন্য গঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো চাপের হাতিয়ার বলে মনে হতে শুরু করে, তখন বিশ্বাস ক্ষয় হতে শুরু করে। একদিকে নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে ইডি, এনআইএ, সিবিআইয়ের মতো সংস্থাগুলো সবচেয়ে সংবেদনশীল সময়ে হস্তক্ষেপ করছে। এটি ন্যায্যতার নয়, ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে।’
আর কী বললেন অভিষেক?
সেইসঙ্গে অভিষেক বলেছেন, ‘এটা শুধু একটি গ্রেফতারির বিষয় নয়। প্রশ্নটা হল, আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীন থাকবে কিনা এবং প্রত্যেক নাগরিক, তার রাজনৈতিক বিশ্বাস নির্বিশেষে, নির্ভয়ে অংশগ্রহণ করতে পারবে কিনা।’