MEA slams Pakistan: সন্ত্রাস দমনে মন দিক! করাচির হামলায় পাক-অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ ভারতের
MEA slams Pakistan: করাচির হামলার জন্য ভারতকে দায়ী করে পাকিস্তানে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়া দিল্লি স্পষ্টভাবে এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করছে।
MEA slams Pakistan: শনিবার ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়েছে পাকিস্তান। করাচিতে আধাসেনা বাহিনীর ঘাঁটিতে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন তিন সিন্ধ রেঞ্জার্সের জওয়ান। এই ঘটনার দায় ভারতের কাঁধে চাপায় ইসলামাবাদ। তারপরেই পাকিস্তানের অভিযোগকে পত্রপাঠ খারিজ করে দিল নয়া দিল্লি ৷ রবিবার বিদেশ মন্ত্রক এই অভিযোগগুলোকে 'ভিত্তিহীন' আখ্যা দিয়ে ইসলামাবাদকে পরামর্শ দিয়েছে যেন তারা নিজেদের ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামো ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দেয়।

করাচির হামলার জন্য ভারতকে দায়ী করে পাকিস্তানে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়া দিল্লি স্পষ্টভাবে এই দাবিগুলো প্রত্যাখ্যান করছে। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, 'করাচির সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের ভিত্তিহীন অভিযোগের খবর আমরা দেখেছি। আমরা স্পষ্টভাবে তা প্রত্যাখ্যান করছি।' তিনি আরও বলেন, 'অন্যের দিকে আঙুল তোলা বন্ধ করে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দিকে তাকানো, নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা সন্ত্রাসবাদী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহারের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসা।'
পাকিস্তান কোনও প্রমাণ ছাড়াই ভারতকে দোষারোপ করেছে
করাচিতে সিন্ধ রেঞ্জার্সের ঘাঁটিতে ভারী অস্ত্রে সজ্জিত জঙ্গিদের হামলার একদিন পর এই ভারতের বিবৃতিটি এল। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন অনুসারে, পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, হামলায় ছয় জঙ্গি নিহত হয়েছে এবং আহত অবস্থায় এক হামলাকারীকে জীবিত ধরা হয়েছে। এই হামলায় রেঞ্জার্সের চার সদস্যও প্রাণ হারিয়েছেন। তবে কোনও প্রমাণ ছাড়াই পাক সেনা জানায়, এই হামলার নেপথ্যে ভারতের হাত আছে৷ নয়া দিল্লির মদতেই করাচিতে সিন্ধ রেঞ্জার্সের ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে ৷ আর এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ভারত।
তবে ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন 'তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান' (টিটিপি)-এর সহযোগী জঙ্গি গোষ্ঠী 'জামাত-উল-আহরার' এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো বেশ কয়েকটি হামলার জন্য এই গোষ্ঠীটি দায়ী। ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে ৷ করাচিতে আধাসামরিক বাহিনীর কার্যালয়ে একটি অস্ত্র সজ্জিত গাড়ি ঢুকে পড়ে ৷ সেখান থেকে বেরিয়ে এসে কয়েকজন পরপর গুলি চালালে বাহিনীর তিনজনের মৃত্যু হয় ৷ গুরুতর জখম হয়েছেন আরও চারজন ৷ পাল্টা বাহিনীর গুলিতে তিন হামলকারীর প্রাণ যায় ৷ একজন গুরুতরভাবে আহত ৷ প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ওই হামলাকারী আফগানিস্তানের বাসিন্দা ৷
আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা
গত বেশ কয়েক বছর ধরে আফগানিস্তানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়িয়েছে পাকিস্তান ৷ প্রতিশোধ নিতেই আধাসামরিক বাহিনীর দফতরে হামলা চলেছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি৷
E-Paper

