Trump on FIFA World Cup Red Card Row: রেফারিই ‘সাসপেক্ট’, বিশ্বকাপে US ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানোয় খেপে গেলেন ট্রাম্প
Trump on FIFA World Cup Red Card Row: বিশ্বকাপে মার্কিন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানোয় রেফারিকেই ‘সাসপেক্ট’ বললেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ওটা ফাউলই ছিল না। সেটার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।
Trump on FIFA World Cup Red Card Row: বিশ্বকাপের লাল কার্ড বিতর্কে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রম্প। তিনি দাবি করেন, আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগুনকে যে লাল কার্ড দেখানো হয়েছিল, সেটা পুরোপুরি ভুল ছিল। কারণ ওটা ফাউলই ছিল না। কেন ফাউল ছিল না, তাও ব্যাখ্যা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেইসঙ্গে যে ব্রাজিলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লস লাল কার্ড দেখিয়েছিলেন আমেরিকান তারকাকে, তাঁকে সরাসরি ‘খুব সন্দেহভাজন’ বলেও আক্রমণ করেন ট্রাম্প।
কেন ফাউল ছিল না? ব্যাখ্যা করলেন ট্রাম্প
সোমবার ওভাল অফিসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি খেলা দেখেছি। আমি খেলাধুলো ভালোবাসি। আমি খেলা খুব ভালো বুঝি, খুব ভালো। ওটা ফাউল ছিল না। ওটা ন্যূনতম নিয়মভঙ্গও ছিল না। দু'জন নিজেদের পূর্ণ গতিতে দৌড়াচ্ছিল। আর সেইসময় ধাক্কা খেয়েছিল।' ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যখন আপনি দৌড়াচ্ছেন, তখন অপরজনের পায়ের ঠিক কোন জায়গায় পা রাখবেন, সেটা ওরকমভাবে বোঝা যায় না। তাঁর কথায়, ‘ও কোনও ভুল করেনি। ও আমাদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়।’
রেফারিকে 'সাসপেক্ট' বললেন ট্রাম্প
সেই রেশ ধরে রেফারিকে সরাসরি আক্রমণ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ফুটবলের নিয়ম নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘এই রেফারি…..ওঁর যদি অতীত থাকেন, তাহলে উনি একটু সন্দেহভাজন (সাসপেক্ট)। আমি বলতে চাই না। কারণ আমি বিতর্ক চাই না। কিন্তু ওঁর অতীত দেখলে (বুঝবেন যে) উনি একজন সন্দেহভাজন। উনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যেটা কেউ বিশ্বাস করতে পারছেন না।’
ফিফাকে ফোন করেন, স্বীকার ট্রাম্পের
তারইমধ্যে ট্রাম্প স্বীকার করে নিয়েছেন যে বালোগুনের সাসপেনশন তুলতে ফিফার সঙ্গে কথা বলেন। ফিফার তরফে অবশ্য দাবি করা হয়েছে যে ট্রাম্পের চাপের কাছে নতিস্বীকার করা হয়নি। বরং স্বাধীনভাবেই মার্কিন তারকার সাসপেনশন তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ফিফার তরফে। যদি চলতি বিশ্বকাপে বাকি যে ফুটবলাররা লাল কার্ড দেখেছেন, তাঁদের এক ম্যাচ নির্বাসিত হতে হয়েছে।
ফিফার সিদ্ধান্তে বিরক্ত বেলজিয়াম
সেইসবের মধ্যে মার্কিন স্ট্রাইকারের নির্বাসন তুলে নেওয়া নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বেলজিয়াম। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলবে আমেরিকা। সেই আবহে ফিফার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


