FIFA World Cup 2026 Golden Ball Winner: বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জিতলেন মেসির প্রাক্তন কোচের ১ ‘ছাত্র’, হয়ে ওঠেন ‘আর্মাডা’
FIFA World Cup 2026 Golden Ball Winner: বিশ্বকাপের সেরা ফুটবলারকে গোল্ডেন বল দেওয়া হয়। লিওনেল মেসি, জুড বেলিংহ্যামদের পিছনে ফেলেন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল জিতলেন স্পেনের অধিনায়ক রড্রি। যিনি ভয়ংকর চোট পেয়েছিলেন বছরকয়েক আগে।
FIFA World Cup 2026 Golden Ball Winner: দেশকে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন করে গোল্ডেন বল জিতলেন স্পেনের অধিনায়ক রড্রি। এবার বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য খেলেছেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির তারকা। ইতিহাসে যে 'স্প্যানিশ আর্মাডা' ছিল, সেটার সঙ্গে নিজেকে ওতপ্রোতভাবে মিলিয়ে ফেলেন। এবার বিশ্বকাপে যে স্পেন মাত্র একটি গোল হজম করেছে, সেটার নেপথ্যে তাঁর বড়সড় ভূমিকা আছে। ট্রেনের দুটি কামরার মধ্যে যেমন কাপলিং থাকে, রড্রিকে দেখে সেরকমই মনে হয়েছে পুরো বিশ্বকাপে। কখনও কখনও তো মনে হয়েছে যে ট্রেনের কাপলিং খুলে যেতে পারে। কিন্তু ডিফেন্স এবং অ্যাটাকের মধ্যে রড্রি যে মেলবন্ধন করেছিলেন, তা বিচ্ছিন্ন হবে না কখনও।
ইউরো, ব্যালন ডি'অর, মারাত্মক চোট থেকে বিশ্বকাপ
অথচ বছরদেড়েক আগেও মেসির প্রাক্তন কোচ পেপ গুয়ার্দিওয়ালর 'ছাত্র' রড্রির জীবনটা অন্ধকারে ডুবেছিল। ২০২৪ সালের ইউরোর সেরা খেলোয়াড় এবং ২০২৪ সালের ব্যালন ডি'অর জয়ের মধ্যেই ভয়ংকর চোট পেয়েছিলেন। দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে ছিলেন। সেখান থেকে মাঠে ফিরে এলেও আশঙ্কা ছিল যে সেই পুরনো রড্রিকে দেখা যাবে তো? ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে সেই প্রশ্নের সব উত্তর দিয়ে দিলেন ৩০ বছরের স্প্যানিশ অধিনায়ক। নিজের কেরিয়ারের একেবারে শীর্ষে পৌঁছে গেলেন।
বিশ্বকাপ ফুটবলের গোল্ডেন বল বিজয়ীদের তালিকা
১) ১৯৮২ সাল: পাওলো রোসি (ইতালি)।
২) ১৯৮৬ সাল: দিয়েগো মারাদোনা (আর্জেন্টিনা)।
৩) ১৯৯০ সাল: টোটো শিলাচি (ইতালি)।
৪) ১৯৯৪ সাল: রোমারিও (ব্রাজিল)।
৫) ১৯৯৮ সাল: রোনাল্ডো (ব্রাজিল)।
৬) ২০০২ সাল: অলিভার কান (জার্মানি)।
৭) ২০০৬ সাল: জিনেদিন জিদান (ফ্রান্স)।
৮) ২০১০ সাল: দিয়েগো ফোরলান (উরুগুয়ে)।
৯) ২০১৪ সাল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্তিনা)।
১০) ২০১৮ সাল: লুকা মদ্রিচ (ক্রোয়েশিয়া)।
১১) ২০২২ সাল: লিওনেল মেসি (আর্জেন্তিনা)।
১২) ২০২৬ সাল: রড্রি (স্পেন)।
একমাত্র গোলকিপার হিসেবে গোল্ডেন বল জয়
ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে একমাত্র গোলকিপার হিসেবে গোল্ডেন বল জয়ের নজির আছে অলিভার কানের দখলে। ২০০২ সালের বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য খেলেছিলেন জার্মানির অধিনায়ক। যদিও ফাইনালে ভুল করে ফেলেছিলেন। যে ভুলের খেসারত দিতে হয়েছিল জার্মানদের। তারপরও ২০০২ সালের বিশ্বকাপে যেভাবে খেলেছিলেন কান, তাতে তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে গোল্ডেন বল দেওয়া যেত না।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


