FIFA World Cup 2026 Golden Boot Winner: মেসির অধরা থেকে গেল ১ ট্রফি! সবথেকে ‘ঘৃণার’ ম্যাচই গড়ল ফারাক, কে জিতলেন তবে?
FIFA World Cup 2026 Golden Boot Winner: ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট কে জিতবেন? তা নিয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হল ৩৯ বছরের লিওনেল মেসি এবং ২৭ বছরের কিলিয়ান এমবাপের। এবার বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুটের রেসে কে কত নম্বরে আছেন?
FIFA World Cup 2026 Golden Boot Winner: অধরা থেকে গেল লিওনেল মেসির সেই ট্রফি। তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে জোড়া গোলের সুবাদে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জিতে গেলেন ফ্রান্সের তারকা কিলিয়ান এমবাপে। দ্বিতীয় স্থানে থাকলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। এমনিতে ১৯৩০ সাল থেকে বিশ্বকাপ শুরু হলেও ১৯৮২ সাল থেকে গোল্ডেন বুটের (২০১০ সাল থেকে গোল্ডেন বুট, আগে ছিল গোল্ডেন শ্যু) স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তবে ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ থেকেই সর্বোচ্চ গোলদাতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হত। আর গোল্ডেন বুটের ধারণা চালু হওয়ার পর থেকে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পরপর দু'বার সেই ট্রফি জিতলেন এমবাপে।

তৃতীয় স্থানাধিকারীর ম্যাচের ফারাক গড়েছে কবে কবে?
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অতীতে সাতজন গোল্ডেন বুট জয়ী খেলোয়াড় গোল করেছেন তৃতীয় স্থানাধিকারী (সবথেকে ঘৃণার ম্যাচ) ম্যাচে। তাঁদের মধ্যে চারজন আবার ওই ম্যাচে গোল করার সুবাদে গোল্ডেন বুট জিতেছেন। সেই তালিকায় আছেন জার্মানির থমাস মুলার (২০১০ সাল), ক্রোয়েশিয়ার ডাভোর সুকার (১৯৯৮ সাল), ইতালির টোটো শিলাচি (১৯৯০ সাল) এবং ব্রাজিলের লিওনিদাস ডা সিলভা (১৯৩৮ সাল)।
আবার ফ্রান্সের জুস্ত ফোঁতেন (১৯৫৮ সাল), পর্তুগালের ইউসেবিও (১৯৬৬ সাল) এবং পোল্যান্ডের গ্রজেগর্জ লাতো (১৯৭৪ সাল) তৃতীয় স্থানাধিকারী ম্যাচে গোল করেছিলেন। যাঁরা ওই ম্যাচে গোল না করলেও সংশ্লিষ্ট বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিততেন। এবার অবশ্য তৃতীয় স্থানাধিকারীর ম্যাচই ফারাক গড়ে দিল গোল্ডেন বুট রেসের। তবে মেসি নিশ্চিতভাবে এই গোল্ডেন বুটের থেকে কয়েকগুণ বেশি ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নপূরণ হল না ২০২২ সালের বিশ্বকাপজয়ীর।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা
১) কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স): গোল করেছেন ১০টি। ৪টি অ্যাসিস্টও করেছেন।
২) লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা): ৮টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ৪টি।
৩) জুড বেলিংহ্যাম (ইংল্যান্ড): গোল করেছেন ৭টি। অ্যাসিস্ট করেছেন ১টি।
৪) আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে): ৭টি গোল করেছেন।
৫) উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স): ৬টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ২টি।
৬) হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড): ৬টি গোল করেছেন। অ্যাসিস্ট করেছেন ১টি।
৭) মিকেল ওয়ারজাবাল (স্পেন): গোল করেছেন ৫টি। অ্যাসিস্টের সংখ্যা ১।
বিশ্বকাপ ফুটবলের গোল্ডেন বুট বিজয়ীদের তালিকা
১) ১৯৮২ সাল: পাওলো রোসি (ইতালি, ৬ গোল)।
২) ১৯৮৬ সাল: গ্যারি লিনেকার (ইংল্যান্ড, ৬ গোল)।
৩) ১৯৯০ সাল: টোটো শিলাচি (ইতালি, ৬ গোল)।
৪) ১৯৯৪ সাল: ওলেগ সালেঙ্কো (রাশিয়া) এবং হ্রিস্টো স্টইচকভ (বুলগেরিয়া) -৬ গোল।
৫) ১৯৯৮ সাল: ডাভোর সুকার (ক্রোয়েশিয়া, ৬ গোল)।
৬) ২০০২ সাল: রোনাল্ডো (ব্রাজিল, ৮ গোল)।
৭) ২০০৬ সাল: মিরোস্লাভ ক্লোজে (জার্মানি, ৫ গোল)।
৮) ২০১০ সাল: থমাস মুলার (জার্মানি, ৫ গোল - বেশি অ্যাসিস্টের সুবাদে জয়)।
৯) ২০১৪ সাল: হামেস রদ্রিগেজ (কলম্বিয়া, ৬ গোল)।
১০) ২০১৮ সাল: হ্যারি কেন (ইংল্যান্ড, ৬ গোল)।
১১) ২০২২ সাল: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স, ৮ গোল)।
১২) ২০২৬ সাল: কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স, ১০ গোল)।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


