Fish Market named after PM Modi: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নামে মাছের বাজারের নামকরণ করা হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হল গুজরাটের সুরাটে। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সুরাট পুরনিগমের তৈরি করা সেই নয়া বাজারে ঢোকার মুখেই বড়-বড় করে লেখা আছে ‘শ্রী নরেন্দ্র মোদী পাইকারি মাছের বাজার (Shree Narendra Modi Wholesale Fish Market)’। হোর্ডিংয়ের একটা কোণে প্রধানমন্ত্রীর ছবিও দেওয়া যাচ্ছে। আর তা নিয়ে আপত্তি জানান ব্যবসায়ীদের একাংশ। আর সেই বিতর্কের মধ্যে পুরনিগমের তরফে দাবি করা হয়েছে যে ওই মাছের বাজারের নামকরণ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি।
৯ কোটি টাকায় তৈরি হয়েছে বাজার

এমনিতে ওই বাজার তৈরির জন্য বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়েছে। পুরনিগমের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, নবনির্মিত বাজারে ৮০টি বড় পাইকারি দোকান আছে। খরচ পড়েছে নয় কোটি টাকা। কিন্তু যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত হয় বাজারের নাম ঘিরে।
‘মোদী জীবনে ছুঁয়ে দেখেননি সামুদ্রিক খাবারও’
পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যবসায়ী দাবি করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদী আমিষ খাবার খান না। জীবনে ছুঁয়ে দেখেননি সামুদ্রিক খাবারও। বিষয়টি নিয়ে সুরেন্দ্র লাক্ষারি নামে এক মাছ ব্যবসায়ী বলেছেন, ‘নরেন্দ্র মোদী জীবনে কখনও সামুদ্রিক খাবার খাননি এবং তিনি একজন কট্টর নিরামিষভোজী। যেহেতু মোদী নিরামিষভোজী, তাই এই বোর্ডটি লাগানো উচিত নয়।’
মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির দিকে আঙুল তুলল পুরনিগম
যদিও বিতর্কের বাজারের নামকরণ নিয়ে সাফাই দিয়েছেন ‘দ্য সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-র সভাপতি কল্পেশ নাভসারিওয়ালা। যে প্রতিষ্ঠানের নাম ওই বিতর্কিত হোর্ডিংয়েও আছে। তিনি দাবি করেছেন, মোদীর নামে বাজারের নামকরণের বিষয়ে স্বাধীনভাবে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিল। এই বাজার তৈরির জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’-র আওতায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
{{/usCountry}}যদিও বিতর্কের বাজারের নামকরণ নিয়ে সাফাই দিয়েছেন ‘দ্য সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’-র সভাপতি কল্পেশ নাভসারিওয়ালা। যে প্রতিষ্ঠানের নাম ওই বিতর্কিত হোর্ডিংয়েও আছে। তিনি দাবি করেছেন, মোদীর নামে বাজারের নামকরণের বিষয়ে স্বাধীনভাবে একটি প্রস্তাব পাশ করা হয়েছিল। এই বাজার তৈরির জন্য ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’-র আওতায় তিন কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
{{/usCountry}}তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদীর চালু করা এই প্রকল্পের আওতায় বাজার নির্মাণের জন্য সুরাট পুরনিগম কর্তৃপক্ষ তিন কোটি টাকা পেয়েছিল। অন্যরা আমাদের জন্য কখনওই কিছু করেনি। এখন যেহেতু বাজার তৈরি হয়েছে এবং লাখ-লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের পথ প্রশস্ত হয়েছে, তাই কারও কারও কাছে বিষয়টি গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।'
তবে সুরাট পুরনিগমের সেন্ট্রাল জোনের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার আর ডি গাঞ্জাওয়ালা স্পষ্ট করেছেন যে, পুর কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এই নামের অনুমোদন দেয়নি। সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের তরফে পুরনিগমের স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং সেন্ট্রাল জোন কর্তৃপক্ষের কাছে একটি লিখিত আবেদন জমা দিয়ে এই বাজারের নাম প্রধানমন্ত্রী মোদীর নামে রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।
সেইসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত ছাড়াই নামের হোর্ডিং বসানো হয়েছিল। আমরা তাদের (সুরাট ফিশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন) বিষয়টি জানিয়েছি এবং তারা মৌখিকভাবে আশ্বাস দিয়েছে যে ওরা নিজেরাই এটি সরিয়ে নেবে।’