US Seizes Iranian Ship: কাঠগোড়ায় চিন? ইরানি জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির রাসায়নিক, বিস্ফোরক US

US Seizes Iranian Ship: জাহাজটিকে ইরানের পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ ‘তুসকা’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যা ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান শিপিং লাইনস (আইআরআইএসএল) নেটওয়ার্কের অংশ বলে জানা গেছে।

Published on: Apr 21, 2026 9:00 PM IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

US Seizes Iranian Ship: শান্তি-বৈঠক নিয়ে দোলাচল জারি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেখানে হুমকি দিয়ে চলেছে, সেখানে এক রকম নির্বিকার ইরান। আর সেই পরিস্থিতিতেই চাঞ্চল্যকর দাবি করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত প্রাক্তন মার্কিন দূত এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্য নিকি হ্যালি দাবি করেছেন, সম্প্রতি মার্কিন নৌবাহিনীর হাতে আটক হওয়া একটি ইরানি জাহাজ চিন থেকে আসছিল এবং সেটি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপকরণ বহন করছিল।

নিকি হ্যালি
নিকি হ্যালি

এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে হ্যালি বলেন, ‘রবিবার হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে জাহাজটি আটক করেছে, সেটি চিন থেকে ইরানের দিকে যাচ্ছিল এবং ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য রাসায়নিক চালানের সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে। জাহাজটিকে বার বার থামতে বলা হলেও, সেটি এগিয়ে যাচ্ছিল।' তিনি আরও দাবি করেন যে, যুদ্ধে ইরানিদের সাহায্য করার চিনের সম্ভাবনা এমন সত্যতা আর উপেক্ষা করা যাবে না। হেলি আরও বলেন, ‘এটি আরও একবার মনে করিয়ে দেয় যে, চিন ইরানের শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে- এই সত্য আর অস্বীকার করা যাবে না।’

আটক জাহাজটি তুসকা নামে শনাক্ত করা হয়েছে

প্রশ্নবিদ্ধ জাহাজটিকে ইরানের পতাকাবাহী কন্টেইনার জাহাজ ‘তুসকা’ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে, যা ইসলামিক রিপাবলিক অফ ইরান শিপিং লাইনস (আইআরআইএসএল) নেটওয়ার্কের অংশ বলে জানা গেছে। এই সংস্থাটির উপর ইতিমধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মেরিন ট্র্যাফিকের জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য অনুসারে, মার্কিন বাহিনী রবিবার ওমান উপসাগরে ইরানের চাবাহার বন্দরের কাছে জাহাজটিতে উঠে পড়ে।

‘সশস্ত্র জলদস্যু’র মতো আচরণ

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ‘সশস্ত্র জলদস্যু’র মতো আচরণ করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ইরান। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজটি চিন থেকে আসছিল এবং তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সশস্ত্র জলদস্যু’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তেহরানের সাফ দাবি, যত ক্ষণ পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালী থেকে অবরোধ না তুলছে, তত ক্ষণ পর্যন্ত ইসলামাবাদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনায় যোগ দেবে না তারা।

মার্কিন মূল্যায়ন ও নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপট

এদিকে, মার্কিন নিরাপত্তা সূত্রগুলো সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, এশিয়া থেকে যাত্রা করার পর জাহাজটি সম্ভবত দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য সামগ্রী বহন করে থাকতে পারে। সূত্রগুলোর মধ্যে একজন বলেছেন, জাহাজটি এর আগেও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য বলে বিবেচিত সামগ্রী পরিবহন করেছিল। তবে, সূত্রগুলো এর সামগ্রীগুলো সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ধাতু, পাইপ এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ-সহ অন্যান্য পণ্যের একটি তালিকা তৈরি করেছে, যেগুলোর সামরিক ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার থাকতে পারে এবং যা আটক করাও যেতে পারে। ওয়াশিংটন ২০১৯ সালের শেষের দিকে আইআরআইএসএল-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং এটিকে ইরানি অস্ত্র বিস্তারকারী ও সংগ্রহকারী এজেন্টদের পছন্দের শিপিং লাইন হিসেবে বর্ণনা করে, যার মধ্যে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত সামগ্রীও পরিবাহিত হয় বলে দাবি করেছিল তারা।