Govt Jobs Policy and Regime Change: 'ক্ষমতা বদলের ছক' নিয়ে হিংসা ছড়ালে সরকারি চাকরি মিলবে না, নির্দেশ জারি সরকারের
Govt Jobs Policy and Regime Change: 'ক্ষমতা বদলের ছক' নিয়ে তুমুল বিতর্ক চলছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। তারইমধ্যে সরকারি চাকরি নিয়ে বড় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল। 'ক্ষমতা বদলের ছক' নিয়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে সরকারি চাকরির দরজা বন্ধ হয়ে যাবে।
Govt Jobs Policy and Regime Change: 'ক্ষমতা বদলের ছক' নিয়ে হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িতে থাকলে সরকারি চাকরি মিলবে না। সেই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করল উত্তরপ্রদেশ সরকার। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, চাকরিপ্রার্থীদের ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশন বা চরিত্র যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, যে বা যাঁরা 'ক্ষমতা বদলের ছক' নিয়ে হিংসাত্মক কাজে জড়িয়ে পড়বেন, তাঁদের সরকারি চাকরি নাও দেওয়া হতে পারে।

সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন নিয়োগ ও কর্মী বিভাগের প্রধান সচিব এম দেবরাজ। তাতে জানানো হয়েছে, কোনও চাকরিপ্রার্থী যদি এমন কোনও সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, যেটির উদ্দেশ্য হল যে হিংসার মাধ্যমে সমাজের কোনও বিদ্যমান ব্যবস্থার পরিবর্তন করা, তাহলে তাঁকে সরকারের আওতাধীন নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে।
রাজনৈতিক দলের সমর্থক হলে কী হবে?
তবে কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতবাদ পোষণ করার জন্য বা কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সমর্থক হওয়ার জন্য প্রার্থীদের সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। অর্থাৎ সরকারি চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না ওই প্রার্থীদের। একইভাবে ওই নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, স্রেফ এফআইআর দায়ের হলে বা নেহাতই কোনও তদন্ত বকেয়া থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জন্য সরকারি চাকরির দরজা বন্ধ হবে না।
‘ক্ষমতা বদলের’ দাবি ও বিতর্ক
আর সেই নির্দেশিকা সামনে এসেছে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা বা এসআইআর-বিরোধী আন্দোলন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালানোর সময়। একাধারে সেই আন্দোলন চালাচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টিও (সিজেপি)।
তারইমধ্যে ‘ক্ষমতা বদলের’ দাবিও তোলা হয়। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা, রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বলদের উপস্থিতিতে বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ সওয়াল করেছিলেন, ‘আমরা ক্ষমতার পরিবর্তন চাই। ক্ষমতার পরিবর্তন করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমরা সবাই ক্ষমতার বদল চাই। এতে কি ভুল কিছু আছে? সরকার পরিবর্তন প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হওয়া কোনও অপরাধ নয়।’
যে মন্তব্য নিয়ে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং অভিযোগ করেছিলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশৃঙ্খলার রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবস্থা করতে চায় ওরা (প্রতিবাদী গোষ্ঠী)। বাংলাদেশে যা হয়েছিল, ঠিক সেই ধাঁচে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ওরা।’ যদিও ককরোচদের সমর্থন করা অভিনেতা প্রকাশ রাজ দাবি করেন, বাংলাদেশ বা নেপালের মতো নয় ভারত। 'আমরা এই শাসনবব্যবস্থার পতন চাই। (তবে) আমরা এই দেশে গণতান্ত্রিকভাবে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন করব।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


