Gratuity rule explainer: গ্র্যাচুইটি মিলবে ১ বছরেই! কাদের কাদের লাভ হবে? কার্যকর হয় এপ্রিলের আগেই
নয়া যে শ্রমকোড চালু হয়েছে, তাতে এখন কর্মীরা মাত্র এক বছর কাজ করলেই গ্র্যাচুইটির টাকা পেয়ে যাবেন।
সাধারণ চাকুরিজীবীদের জন্য গ্র্যাচুইটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চয়। এতদিন পর্যন্ত কোনওসংস্থায় টানা পাঁচ বছর কাজ না করলে গ্র্যাচুইটির টাকা পাওয়া যেত না। কিন্তু নয়া যে শ্রমকোড চালু হয়েছে, তাতে এখন কর্মীরা মাত্র এক বছর কাজ করলেই গ্র্যাচুইটির টাকা পেয়ে যাবেন। কবে থেকে গ্র্যাচুইটির নয়া নিয়ম কার্যকর হবে, তা নিয়ে একটি মহলের মধ্যে ধন্দ ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, 'কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, '২০২৫ সালের ২১ নভেম্বর' থেকে গ্র্যাচুইটির (নয়া নিয়ম) কার্যকর হচ্ছে। যেদিন থেকে নয়া কোড কার্যকর হয়েছে। '

কী এই নতুন নিয়ম?
দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানানো হচ্ছিল যাতে গ্র্যাচুইটির সময়সীমা ৫ বছর থেকে কমিয়ে আনা হয়। বিশেষ করে বেসরকারি ক্ষেত্রে যেখানে কর্মীরা দ্রুত চাকরি পরিবর্তন করেন, সেখানে এই ৫ বছরের সময়সীমা অনেকের কাছেই অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। নতুন প্রস্তাবিত ‘সোশ্যাল সিকিউরিটি কোড’-এর অধীনে এই সময়সীমা কমানোর কথা বলা হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, এটি এখনও সব ধরনের কর্মীদের জন্য ঢালাওভাবে কার্যকর হয়নি।
আরও পড়ুন: CBSE new curriculum: ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ৩ ভাষার ফর্মুলা, নাইন থেকে অঙ্ক-বিজ্ঞানের ২ স্তর, নয়া পথে CBSE
চুক্তিনির্ভর কর্মীদের জন্য সুখবর
গ্র্যাচুইটির এই ১ বছরের নিয়মটি মূলত 'ফিক্সড টার্ম এমপ্লয়মেন্ট' (Fixed Term Employment) বা চুক্তিনির্ভর কর্মীদের জন্য বিশেষভাবে প্রযোজ্য করা হচ্ছে। যদি কোনও কর্মী একটি নির্দিষ্ট চুক্তিতে এক বছর বা তার বেশি সময় কাজ করেন, তবে তিনি গ্র্যাচুইটির সুবিধা পাবেন।
আরও পড়ুন: শত্রুদের থরহরিকম্প! তৃতীয় পারমাণবিক সাবমেরিন পেল ভারত, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত INS তারাগিরি
গ্র্যাচুইটি কীভাবে কাজ করে?
গ্র্যাচুইটি হলো আপনার নিয়োগকর্তার কাছ থেকে পাওয়া একটি আর্থিক পুরস্কার। সাধারণত এটি রিটায়ারমেন্টের সময় বা চাকরি ছাড়ার সময় দেওয়া হয়। পেমেন্ট অফ গ্র্যাচুইটি অ্যাক্ট, ১৯৭২ অনুযায়ী, যে সংস্থায় ১০ জনের বেশি কর্মী কাজ করেন, সেখানে গ্র্যাচুইটি দেওয়া বাধ্যতামূলক।
কেন এই পরিবর্তন আনা হয়েছে?
বর্তমান কর্মসংস্থানের বাজারে 'গিগ ইকোনমি' বা স্বল্পমেয়াদী কাজের চল বেড়েছে। অনেক আইটি কর্মী বা ডিজিটাল প্রফেশনালরা এক সংস্থায় পাঁচ বছর কাটান না। তাদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই সরকার নিয়মে নমনীয়তা আনার চেষ্টা করছে।
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


