...
...
Next Story

BRICS Joint Statement Inside Story: ‘ভোর ৪ টে....’, কীভাবে US-র চরম শত্রু ও বন্ধুকে একইদিকে আনল ভারত? রইল ভিতরের খবর

BRICS Joint Statement Inside Story: আমেরিকার চরম শত্রু ইরান এবং আমেরিকার দুই বন্ধু দেশ সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি যেখানে আছে, সেখানে কীভাবে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্র গৃহীত হবে, তা নিয়ে ধন্দে ছিলেন অনেকেই। বাজিমাত করল টিম নরেন্দ্র মোদী এবং এস জয়শংকর।

Published on: Sep 12, 2026, 17:29:26 IST
Advertisement

BRICS Joint Statement Inside Story: আমেরিকার চরম শত্রু, আমেরিকার বন্ধু ও প্রতিরক্ষা সঙ্গী, পাকিস্তানের জোটসঙ্গী থেকে ব্রহ্মস ক্রুজ মিসাইল কেনার জন্য ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলা দেশ- সবাইকে একসারিতে এনে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্র পাশ করিয়ে ফেলল ভারত। শনিবার ব্রিকসের উদ্বোধনী ভাষণের শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, সর্বসম্মতক্রমে নয়াদিল্লি সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছে। যে বিষয়টিকে ভারতের জন্য বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ভারতের অভূতপূর্ব সাফল্য, মনে করছে কূটনৈতিক মহল

ব্রিকসের মঞ্চে ভারতের তিন মাস্টারমাইন্ড - প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)
ব্রিকসের মঞ্চে ভারতের তিন মাস্টারমাইন্ড - প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। (ছবি সৌজন্যে এএনআই)

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে লাগাতার আলোচনার মাধ্যমে সেই অসাধ্য সাধন করা হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে থাকা ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে একমঞ্চে নিয়ে আসার কাজটা সবথেকে কঠিন ছিল। মাসকয়েক ধরেই আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত চলছে ইরানের। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং সৌদি আরব আছে ইরানের বিরোধী পক্ষে। এমনকী সরাসরি সংঘাতেও জড়িয়েছে তিন দেশ। তারপরও ভারত যে কাজটা করেছে, সেটা অভূতপূর্ব বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন: Modi Rule Shaper Speech at Brics 2026: অন্যের ‘দাদাগিরির’ দিন শেষ! পুতিনকে পাশে নিয়ে ট্রাম্পকে Rule Shaper বার্তা মোদীর?

ভোর ৪ টে পর্যন্ত আলোচনা, তাতেই খুলল রাস্তা

আরও পড়ুন: BRICS Summit: দিল্লির তাবড় বিলাসী হোটেলের কোনগুলিতে পুতিন, শি-রা থাকছেন? ২ নেতার গাড়িও খবরে

বিশ্বে শান্তির দূত ভারত, বার্তা গেল ব্রিকসের মঞ্চ থেকে

আর তাতেই এসেছে সাফল্য। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে একাধিক ইস্যু নিয়ে টানাপোড়েন ছিল। কিন্তু আলোচনার মাধ্যমে ভারত যাবতীয় সংঘাত দূর করেছে। শত্রুপক্ষের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করেছে ভারত। যা বিশ্বে মোদী সরকারের শান্তির দূত হিসেবে অবস্থান এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের কূটনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ তুলে ধরল। কারণ ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, একটি সদস্য দেশ আটকে দিলেই ঘোষণাপত্র গৃহীত হবে না। কিন্তু সেটা হয়নি। সব দেশই স্বাক্ষর করেছে যৌথ বিবৃতিতে।

 
ABOUT THE AUTHOR
Ayan Das

অয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।

SHARE THIS ARTICLE ON
Notifications

Get breaking alerts directly from the newsroom

Notifications are on!You'll be notified when news breaks