BRICS Joint Statement Inside Story: আমেরিকার চরম শত্রু, আমেরিকার বন্ধু ও প্রতিরক্ষা সঙ্গী, পাকিস্তানের জোটসঙ্গী থেকে ব্রহ্মস ক্রুজ মিসাইল কেনার জন্য ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলা দেশ- সবাইকে একসারিতে এনে ব্রিকসের যৌথ ঘোষণাপত্র পাশ করিয়ে ফেলল ভারত। শনিবার ব্রিকসের উদ্বোধনী ভাষণের শেষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, সর্বসম্মতক্রমে নয়াদিল্লি সম্মেলনের যৌথ ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়েছে। যে বিষয়টিকে ভারতের জন্য বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।
ভারতের অভূতপূর্ব সাফল্য, মনে করছে কূটনৈতিক মহল

ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে লাগাতার আলোচনার মাধ্যমে সেই অসাধ্য সাধন করা হয়েছে। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে থাকা ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে একমঞ্চে নিয়ে আসার কাজটা সবথেকে কঠিন ছিল। মাসকয়েক ধরেই আমেরিকার সঙ্গে সংঘাত চলছে ইরানের। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং সৌদি আরব আছে ইরানের বিরোধী পক্ষে। এমনকী সরাসরি সংঘাতেও জড়িয়েছে তিন দেশ। তারপরও ভারত যে কাজটা করেছে, সেটা অভূতপূর্ব বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
ভোর ৪ টে পর্যন্ত আলোচনা, তাতেই খুলল রাস্তা
সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (ইংরেজি মত অনুযায়ী) ভোর চারটে পর্যন্ত আলোচনা চালিয়ে সব দেশকে ব্রিকসের নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে রাজি করিয়েছে ভারত। আর সেক্ষেত্রে ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে একইদিকে নিয়ে আসতে গিয়ে সবথেকে বেশি কালঘাম ছুটেছে বলে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল ইরান এবং আমিরশাহি। কিন্তু হাল ছাড়েনি ভারতও।
{{/usCountry}}সূত্র উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (ইংরেজি মত অনুযায়ী) ভোর চারটে পর্যন্ত আলোচনা চালিয়ে সব দেশকে ব্রিকসের নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে রাজি করিয়েছে ভারত। আর সেক্ষেত্রে ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিকে একইদিকে নিয়ে আসতে গিয়ে সবথেকে বেশি কালঘাম ছুটেছে বলে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে নিজেদের অবস্থানে অনড় ছিল ইরান এবং আমিরশাহি। কিন্তু হাল ছাড়েনি ভারতও।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: BRICS Summit: দিল্লির তাবড় বিলাসী হোটেলের কোনগুলিতে পুতিন, শি-রা থাকছেন? ২ নেতার গাড়িও খবরে
বিশ্বে শান্তির দূত ভারত, বার্তা গেল ব্রিকসের মঞ্চ থেকে
আর তাতেই এসেছে সাফল্য। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রের ক্ষেত্রে একাধিক ইস্যু নিয়ে টানাপোড়েন ছিল। কিন্তু আলোচনার মাধ্যমে ভারত যাবতীয় সংঘাত দূর করেছে। শত্রুপক্ষের মধ্যে সেতু হিসেবে কাজ করেছে ভারত। যা বিশ্বে মোদী সরকারের শান্তির দূত হিসেবে অবস্থান এবং বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের কূটনৈতিক দক্ষতার প্রমাণ তুলে ধরল। কারণ ব্রিকসের নিয়ম অনুযায়ী, একটি সদস্য দেশ আটকে দিলেই ঘোষণাপত্র গৃহীত হবে না। কিন্তু সেটা হয়নি। সব দেশই স্বাক্ষর করেছে যৌথ বিবৃতিতে।