IMD Monsoon Rain Forecast Update: চলতি বছরের বর্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করল ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস
আবহাওয়া দফতরের মতে, জুন মাস থেকেই দুর্বল এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে সেই প্রভাব আরও জোরালো হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আইএমডি জানিয়েছে, দেশের বেশিরভাগ অংশেই স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে।
চলতি বছরের বর্ষা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করল ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের সর্বশেষ পূর্বাভাস। আইএমডি জানিয়েছে, এ বার দেশে মৌসুমি বৃষ্টিপাত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের মাত্র ৯০ শতাংশ হতে পারে। এর আগে এপ্রিল মাসে সংস্থা ৯২ শতাংশ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু নতুন পূর্বাভাসে সেই পরিমাণ আরও কমে যাওয়ায় কৃষি, খাদ্য উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতি নিয়ে চিন্তা বাড়ছে।

আবহাওয়া দফতরের মতে, জুন মাস থেকেই দুর্বল এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মৌসুমের দ্বিতীয়ার্ধে সেই প্রভাব আরও জোরালো হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। আইএমডি জানিয়েছে, দেশের বেশিরভাগ অংশেই স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিম ভারত, মধ্য ভারত এবং দক্ষিণ উপদ্বীপীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টি ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে। যদিও উত্তর-পূর্ব ভারতের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের কৃষিক্ষেত্র এখনও অনেকটাই বর্ষার উপর নির্ভরশীল। কৃষি মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৫১ শতাংশ কৃষিজমি সম্পূর্ণভাবে বৃষ্টিনির্ভর। পাশাপাশি মোট কৃষি উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ এই জমিগুলি থেকেই আসে। ফলে বর্ষা দুর্বল হলে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে কৃষি উৎপাদনে। একইসঙ্গে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে চাপ তৈরির আশঙ্কাও বাড়ছে।
আইএমডি জানিয়েছে, ১৯৭১ থেকে ২০২০ সালের গড় হিসাব অনুযায়ী দেশের দীর্ঘমেয়াদি মৌসুমি বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৮৭ সেন্টিমিটার। সেই হিসাব ধরেই এ বছরের পূর্বাভাস তৈরি করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২৩ সালেও দেশ স্বাভাবিকের তুলনায় কম বর্ষার মুখ দেখেছিল। সেবার দীর্ঘমেয়াদি গড়ের প্রায় ৯৪ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছিল এবং তার পিছনেও এল নিনোর প্রভাব ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এল নিনোর প্রভাব আরও বাড়লে খরিফ মরসুমের চাষ, জল সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং বাজার পরিস্থিতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। তাই এবারের বর্ষা পরিস্থিতির উপর কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলিও বিশেষ নজর রাখছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


