India points CJP Protest to slam UN: কোন দেশে ‘ককরোচ’-রা এরকম করতে পারে? CJP-কে তুলে ধরে রাষ্ট্রসংঘকে তুলোধোনা ভারতের
India points CJP Protest to slam UN: ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের কথা তুলে ভারত রাষ্ট্রের সাফল্য তুলে ধরল নয়াদিল্লি। সেই রেশ ধরে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি জিনা রোমেরোকে তুলোধোনা করলেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ অনুজ স্বরূপ।
India points CJP Protest to slam UN: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি জিনা রোমেরোকে তুলোধোনা করল ভারত। রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ দূত একটি রিপোর্টে দাবি করেছিলেন যে মানসিক স্বাস্থ্য বা লিঙ্গ সংক্রান্ত ন্যায়বিচার নিয়ে আলোচনার কারণে প্রতিশোধের শিকার হয় ভারতের তরুণ প্রজন্ম অথবা তাদের কালিমালিপ্ত করা হয়। সেই রিপোর্ট খারিজ করে দিয়ে ভারতীয় কূটনীতিবিদ অনুজ স্বরূপ একেবারে কড়া ভাষায় দাবি করেছেন, ঠিক এইসব ভিত্তিহীন রিপোর্টের জন্যই রাষ্ট্রসংঘ নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যে রিপোর্ট বেনামী অভিযোগ ও যাচাই না করা তথ্যের মাধ্যমে করা হয়েছে বলে কড়া ভাষায় জানিয়েছেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের বিশেষ দূত।

'রিপোর্টের মোড়কে জনশ্রুতি' পেশ রাষ্ট্রসংঘের দূতের, তোপ ভারতের
কোনওরকম রাখঢাক না করেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ জানিয়েছেন, 'রিপোর্টের মোড়কে জনশ্রুতি' পেশ করেছেন রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি। এই ধরনের খেয়ালখুশিমাফিক রিপোর্ট তৈরি করেই রাষ্ট্রসংঘ নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। যাচাই না করা তথ্যের ভিত্তিতে স্রেফ একটা রিপোর্ট বানিয়ে দিয়ে বিষয়টি ভারতের তরুণ প্রজন্মের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যে দেশের সংবিধানের ১৯ নম্বর ধারায় প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষা নিশ্চিত করা আছে। দেশে আছে স্বাধীন বিচারবিভাগ, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং ক্ষমতাধর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।
‘নিজের রিপোর্টেই নিজের উল্টো কথা বলেছেন রাষ্ট্রসংঘের দূত’
আর রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি যে দাবি করেছেন, তার ঠিক উল্টো কথা তিনি তাঁর নিজের রিপোর্টেই তুলে ধরেছেন বলে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় জানিয়েছেন ভারতীয় কূটনীতিবিদ। অর্থাৎ ওই রিপোর্ট যে কতটা ঠুনকো, তা একেবারে স্পষ্ট হয়ে যায়। নিটের (সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা) প্রশ্নফাঁসের প্রেক্ষিতে তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনের সময় প্রতিবাদীদের সঙ্গে সরকার পক্ষের বৈঠকের বিষয়টি উল্লেখ করেন তিনি।
কোন দমনমূলক রাষ্ট্রে এমনটা হয়? তুলোধোনা ভারতীয় কূটনীতিবিদের
তাঁর কথায়, ‘হাস্যকরভাবে ওই রিপোর্টেই বলা হয়েছে যে ভারতের তরুণ প্রজন্ম একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছে। এমন কোন দমনমূলক রাষ্ট্র আছে, যেখানে তরুণ প্রজন্মের দ্বারা গঠিত একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল সরকারের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিতে পারে, দেশের রাজধানীর দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে এবং তারপর জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে?’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


