Prakash Raj on Regime Change: ‘আমরা বাংলাদেশ নই’, ভারতেও ‘ক্ষমতা বদলের ছকের’ মধ্যেই বড় দাবি প্রতিবাদী 'মুখের'
Prakash Raj on Regime Change: বাংলাদেশের ধাঁচে ভারতে সরকার পরিবর্তনের বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা ও সমাজকর্মী প্রকাশ রাজ। যিনি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থন করেছেন। তিনি নিজের মতামত জানালেন ‘ক্ষমতা বদলের ছক’ নিয়ে।
Prakash Raj on Regime Change: ভারতে 'ক্ষমতা পরিবর্তনের' পক্ষে সওয়াল করলেন প্রকাশ রাজ। তবে বাংলাদেশ বা নেপালের কায়দায় ভারতে 'ক্ষমতা পরিবর্তন' হবে না বলে দাবি করেন অভিনেতা এবং সমাজকর্মী। তাঁর কথায়, 'আমরা এই শাসনবব্যবস্থার পতন চাই। (তবে) আমরা এই দেশে গণতান্ত্রিকভাবে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন করব।' সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা নেপাল নই। আমরা বাংলাদেশ নই। আমাদের দেশে (বিআর) আম্বেদকর আছেন। আমাদের (মহাত্মা) গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছে। আমাদের একটা সংবিধান আছে। আমাদের আছে ভোটাধিকার।’

'ক্ষমতার পরিবর্তন করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার'
সেই মন্তব্য তিনি করেছেন বাংলাদেশের ধাঁচে 'ক্ষমতা পরিবর্তন' নিয়ে বিতর্কের পরে। গত বৃহস্পতিবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আইসা সভানেত্রী নেহা বোরা, রাজ্যসভার সাংসদ কপিল সিব্বলদের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে বর্ষীয়ান আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ সওয়াল করেন যে ‘আমরা ক্ষমতার পরিবর্তন চাই। ক্ষমতার পরিবর্তন করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার বলেই যাচ্ছে যে এটা বিরোধীদের ক্ষমতা পরিবর্তনের অপারেশন। আমরা শুধুমাত্র এই দেশের নির্বাচনী গণতন্ত্রকে বাঁচানোর আবেদন জানাচ্ছি। যদি এরকম বর্বরতা চলতে থাকে, তবে নিশ্চিতভাবেই সরকারের পরিবর্তন ঘটবে। আমরা সবাই ক্ষমতার বদল চাই। এতে কি ভুল কিছু আছে? সরকার পরিবর্তন প্রত্যেক নাগরিকের গণতান্ত্রিক অধিকার। সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ তৈরি হওয়া কোনও অপরাধ নয়।’
'বিশৃঙ্খলার রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে তরুণ প্রজন্মকে'
তা নিয়ে পালটা আক্রমণ করেছে বিজেপি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন ‘দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশৃঙ্খলার রাজনীতির বোড়ে হিসেবে ব্যবস্থা করতে চায় ওরা (প্রতিবাদী গোষ্ঠী)। বাংলাদেশে যা হয়েছিল, ঠিক সেই ধাঁচে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে ওরা।’
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, 'এমনকী একজন তো সাংবাদিক বৈঠকে সরাসরি বলেছেন যে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের সরাসরি অনুপ্রেরণা তাঁরা পেয়েছেন বাংলাদেশ থেকে (নেহা বোরার বিরুদ্ধে বিজেপি অভিযোগ তুলেছে)। আর অপর একজন তো খোলাখুলিভাবে সরকার উলটে দেওয়ার ডাক দিয়েছেন। এটা থেকেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে ওদের একমাত্র লক্ষ্য কী।'
সরকারকে প্রশ্ন করার অধিকার আছে, দাবি প্রকাশ রাজের
সেই আবহে প্রকাশ দাবি করেছেন যে সরকার পরিবর্তনের পক্ষে সওয়াল করছেন তাঁরা। তবে সেটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই। তিনি দাবি করেছেন, নিজের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করা, সরকারকে প্রশ্ন করার অধিকার, সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার এবং সরকারের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। তাঁর কথায়, 'আপনারা আমাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছেন, কারণ আপনারা আলোচনার টেবিলে আসছেন না। (বরং) আপনারা বলপ্রয়োগ করছেন।'
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


