India on ‘China-Pak Border’ Commission: নাটকবাজি না করে আমাদের জায়গা থেকে সরে যান, পাক-চিন কমিশন নিয়ে কড়া বার্তা ভারতের
India on ‘China-Pak Border’ Commission: তথাকথিত 'পাকিস্তান-চিন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশন' নিয়ে একেবারে কড়া ভাষায় মুখ খুললেন ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। নাটকবাজি বন্ধ করে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর থেকে সরে যেতে বললেন ইসলামাবাদকে।
India on ‘China-Pak Border’ Commission: যে দু'দেশের মধ্যে কোনও সীমান্তই নেই, তারা কিনা জয়েন্ট বর্ডার কমিশন গঠন করেছে। তথাকথিত 'পাকিস্তান-চিন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশন' নিয়ে একেবারে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। বুধবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, 'পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে কোনও সীমান্ত নেই। আমরা তথাকথিত যৌথ কমিশনকে খারিজ করে দিচ্ছি, যেটির কোনও আইনি বৈধতা নেই।' সেইসঙ্গে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, 'এরকম নাটকবাজি না করে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি যে পাকিস্তান যেন অবৈধভাবে ও বলপূর্বক দখল করে এলাকা ছেড়ে দেয়।'

তথাকথিত পাকিস্তান-চিন সীমান্ত কমিশন নিয়ে বৈঠকের দাবি ইসলামাবাদের
আর ভারতের তরফে সেই মন্তব্য করা হয়েছে তথাকথিত পাকিস্তান-চিন বাউন্ডারি জয়েন্ট কমিশনের বৈঠকের পরে। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে ফেঁসে যাওয়া পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আজ বলা হয়, ‘পাকিস্তান-চিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উভয়পক্ষ আজ পাকিস্তান-চিন যৌথ সীমান্ত কমিশন কার্যকর করেছে। তার ফলে সীমান্ত সামলানো, যৌথ সীমান্ত সমীক্ষা, বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহযোগিতার পথ প্রশস্ত হবে।’
বাস্তবে পাকিস্তান ও চিনের কোনও সীমান্তই নেই
অথচ বাস্তবে পাকিস্তান এবং চিনের মধ্যে কোনও সীমান্তই নেই। ইসলামাবাদ যে অংশকে চিন সীমান্তবর্তী এলাকা বলে দাবি করে, তা আদতে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের এলাকা। যে অংশ আদতে ভারতের। কিন্তু বেআইনি এবং অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। আর সেই পরিস্থিতিতে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, ‘আমরা ১৯৬৩ সালের তথাকথিত চিন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তিকে কখনওই স্বীকৃতি দিইনি। আর এটা বরাবরই বলে এসেছি যে সেই চুক্তি অবৈধ এবং ভিত্তিহীন।’
কাশ্মীর আমাদের, নাটক না করে ওটা খালি রাখুন, সাফ বার্তা ভারতের
পাশাপাশি ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের পুরোটাই ভারতের অবিচ্ছেদ্য এবং অখণ্ড অংশ ছিল এবং থাকবে। অবৈধ এবং বলপূর্বক দখল করে রাখা ভারতীয় ভূখণ্ড নিয়ে কোনও পদক্ষেপ করার মতো আইনি এক্তিয়ার নেই পাকিস্তানের।’
ABOUT THE AUTHORAyan Dasঅয়ন দাস হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রোডিউসার। প্রায় এক দশক ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত আছেন। সাংবাদিক হিসেবে তিনি মূলত পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভারতের রাজনীতি, সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর পাঠকদের সামনে তুলে ধরেন। ট্রেন, মেট্রো, আবহাওয়া, খেলাধুলোর প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। নিয়মিত সেইসব বিষয়েও প্রতিবেদন লিখে থাকেন। পেশাদার অভিজ্ঞতা: কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি), স্পোর্টসকিডার মতো সংস্থায় ইন্টার্নশিপ করার পরে ২০১৮ সাল থেকে অয়নের পেশাদার জীবনের সূচনা হয়। পেশাদার সাংবাদিক জীবনের শুরুটা হয় ইটিভি ভারতে। সেখানে এক বছর দু'মাস কাজ করার পরে ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর যোগ দেন হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায়। চারদিন পরে আনুষ্ঠানিকভাবে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা চালু হয়। অর্থাৎ একেবারে প্রথম থেকেই হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় আছেন। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য-রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি, ট্রেন-মেট্রো-শিল্প সংক্রান্ত পরিকাঠামো-নির্ভর খবর, চাকরির খবর, ক্রিকেট-ফুটবলের মতো খেলাধুলোর খবরের প্রতিবেদন লিখে থাকেন। বিশেষ করে ব্রেকিং নিউজ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের উপরে প্রভাব ফেলে, এমন খবর লেখার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: নঙ্গী হাইস্কুল এবং নিউ আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল থেকে প্রাথমিক পড়াশোনার পরে আশুতোষ কলেজ থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে অয়ন স্নাতক হয়েছেন। তারপর একই বিষয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং নেশা: অয়ন মনেপ্রাণে পাহাড়প্রেমিক। সুযোগ পেলেই পাহাড়ে ঘুরতে চলে যান। বরফ ও তুষারপাতের প্রতি বিশেষ জায়গা রয়েছে হৃদয়ে। তাছাড়াও ভারতীয় সেনা, ভারতীয় বায়ুসেনা ও ভারতীয় নৌসেনার প্রতি বিশেষ টান রয়েছে। ভারতীয় জওয়ানদের বীরত্ব, তাঁদের লড়াই নিয়ে বই পড়তে বা তথ্যচিত্র দেখতে ভালোবাসেন। ছোটোবেলায় নিজেরও ভারতীয় সেনায় যোগ দেওয়ার ইচ্ছা ছিল।Read More
E-Paper


