India on PoK Violence: পাক অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ দমনের নামে ৩০ জনকে হত্যা, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল ভারত
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পাকিস্তান নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলি আড়াল করতে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। ভারতের দাবি, পিওকে-তে মানুষের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক অসন্তোষের জেরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা দমন করতে বলপ্রয়োগ করা হয়েছে।
পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এই আবহে এবার মুখ খুলল ভারত সরকার। এই নিয়ে ভারতের বক্তব্য, পাকিস্তানি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপের ফলে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন’ বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রশ্ন করার জন্য আন্তর্জাতিক মহলের কাছে আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, পাকিস্তান নিজেদের প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলি আড়াল করতে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। ভারতের দাবি, পিওকে-তে মানুষের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক অসন্তোষের জেরে যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তা দমন করতেই বলপ্রয়োগ করা হয়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, বিদ্যুৎ মূল্যবৃদ্ধি, করনীতি এবং শাসনব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভের জেরে যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির নেতৃত্বে আন্দোলন চলছিল। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ, গ্রেফতারি অভিযান এবং সংঘর্ষের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ভারত দাবি করেছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে সাধারণ মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলের নজরদারি প্রয়োজন। একইসঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বিশ্বকে সরব হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। ঘটনাকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক বাকযুদ্ধও তীব্র হয়েছে। পাকিস্তান যেখানে অশান্তির জন্য ভারতের দিকে আঙুল তুলছে, সেখানে ভারত সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেছে, এটি পাকিস্তানের ‘ভুয়ো প্রচার’ এবং নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা।
উল্লেখ্য, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে এই বিক্ষোভের সূত্রপাত রাওয়ালকোটে। সেখানে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখান এক ব্যবসায়ী। রক্ষীদের গুলিতে নিহত হন তিনি। তার পরেই গত শুক্রবার জেএএসি-কে নিষিদ্ধ করে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের প্রশাসন। শুরু হয় বিক্ষোভ। তা দমন করতে গুলি চালায় পুলিশ। অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন। এই আবহে রবিবার একটি হাসপাতালের মর্গের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বেশ কয়েক জন প্রতিবাদী। ওই মর্গে রাখা ছিল পুলিশের গুলিতে নিহত এক প্রতিবাদীর লাশ। হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ দমন করতে গুলি চালানো হয়। তাতে প্রাণ যায় ছয় প্রতিবাদীর। পাক প্রশাসনের দাবি, গত কয়েক দিনের বিক্ষোভে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৭০ জন আহত হয়েছেন। যদিও জেএএসি সংগঠন এবং প্রতিবাদীদের দাবি, পুলিশের গুলিতে অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত ২০০-র বেশি। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটে পুলিশ এবং জওয়ানের সংখ্যা বাড়িয়েছে ইসলামাবাদ। এরই সঙ্গে পিওকে-র কিছু অংশে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করা হয়েছে।
ABOUT THE AUTHORAbhijit Chowdhury২০২১ সাল থেকে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিজিৎ চৌধুরী। ২০১৮ সালে সালে তাঁর পেশাদার জীবনের শুরু। জাতীয়, আন্তর্জাতিক বিষয়, বাংলার রাজনীতি এবং খেলাধুলোর বিষয়ে লেখার ক্ষেত্রে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আমেরিকা, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ সবচেয়ে বেশি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাশ করেই সাংবাদিকতার জগতে প্রবেশ করেছেন অভিজিৎ। হিন্দুস্তান টাইমস বাংলায় যোগদানের আগে ওয়ানইন্ডিয়া এবং ইটিভি ভারতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে অভিজিতের। এছাড়া আকাশবাণীতে রেডিও জকি হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। খবরের জগৎ ছাড়া খেলাধুলো, ইতিহাসে অভিজিতের আগ্রহ রয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন নিয়ে অভিজিৎ তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন আশুতোষ কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস ছাড়া প্রায় সব ধরনের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বই পড়ে এবং বিভিন্ন বিষয়ে ডকুমেন্টারি দেখে।Read More
E-Paper


